প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি, আঞ্চলিক মহা সড়কে যানচলাচল বন্ধ, তিন শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু

তপু সরকার হারুন, শেরপুর : পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি ও পাহাড়ি ঢলের ফলে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। শেরপুর সদর, শ্রীবরদী ও নকলা উপজেলার আরো অন্তত ১৫টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। শেরপুর-জামালপুর সড়কের নন্দীর বাজার পোড়ার দোকান কজওয়ের (ডাইভারশন) ওপর দিয়ে প্রায় তিন ফুট উচ্চতায় বন্যার পানি দ্রুতবেগে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ওই সড়কে শেরপুরের সঙ্গে জামালপুর ও উত্তরাঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে আরও তিন শিশুসহ ৬জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হলেও জেলা ত্রাণ অফিস জানায়, বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে সৃষ্ট বন্যায় শেরপুরের ৫টি উপজেলার ৩৭টি ইউনিয়নের ১৮৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ৬৭হাজার লোক পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। জেলায় ৫৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ওঠায় ৭দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোকসেদুর রহমান।

বন্যায় জেলার বিভিন্ন পুকুর, জলাশয় এবং খামারের মাছ ভেসে এবং পাড় ভেঙে প্রায় ৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার মৎস্য সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া জেলায় ১২৫ হেক্টর সবজি ক্ষেত এবং ৭৪৭ হেক্টর রোপা আমন ধানের বীজতলা পানিতের ডুবে গেছে।

এপর্যন্ত বন্যা দুর্গতদের মাঝে ৩৫মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং নতুন করে ঝিনাইগাতী উপজেলার জন্য ১০মেট্রিক টন এবং শেরপুর সদর উপজেলার জন্য ১০মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্পাদনা : মিঠুন রাকসাম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত