প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ন্যাটো প্রতিবেদনে ভুল করে ইউরোপে লুকানো মার্কিন পরমাণু বোমার অবস্থান প্রকাশ

নূর মাজিদ : যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ন্যাটো জোটের ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো কখনোই ইউরোপের ভূখন্ডে গোপনভাবে লুকিয়ে রাখা মার্কিন পরমাণু অস্ত্রের স্থান প্রকাশ করেনা। এটা জোটের অতি-গোপনীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। প্রয়োজনের মুহূর্তে ব্যবহারের জন্য এই পরমাণু বিস্ফোরকমুখ বা ওয়্যারহেড গুলোকে সুরক্ষিত স্থানে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু, সা¤প্রতিক এক ন্যাটো প্রতিবেদনে অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে এমন ১৫০টি পরমাণু অস্ত্রের সন্ধান ফাঁস হয়েছে। যার কারণে প্রতিপক্ষ, বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের কাছে ন্যাটো জোটের কৌশলগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে, এমন আশংকা করা হচ্ছে। সুত্র : দ্য সান, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

ন্যাটোর সা¤প্রতিক সময়ে প্রকাশিত একটি খসরা প্রতিবেদন ‘এ নিউ এরা ফর নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স? মডার্নাইজেশন, আর্মস কন্ট্রোল আন্ড এলায়েড নিউক্লিয়ার ফোর্সেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ছয়টি গোপন স্থাপনার কথা বলা হয়। আর এই সকল স্থাপনাতেই আছে দেড়শ পরমাণু ওয়্যারহেডগুলো। বেলজিয়ামের দৈনিক দ্য মরজেন প্রথম এই প্রতিবেদনের সূত্রে পারমাণবিক অস্ত্রগুলোর অবস্থান চিহ্নিত করে।

যে অংশের সূত্রে এই তথ্য পত্রিকাটি পায় সেখানে বলা হয়েছে, এই বোমাগুলো ছয়টি (ইউরোপের মাটিতে) মার্কিন এবং ইউরোপীয় ঘাঁটিতে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এই ঘাঁটিগুলো হলো বেলজিয়ামের ক্লেইন ব্রোজেল, জার্মানির বুশেল, ইতালির দুই ঘাঁটি আভিয়ানো এবং ঘেদি-টোরে, নেদারল্যান্ডের ভোকেল এবং তুরস্কের ইনসিরলিক।

ন্যাটো জোটের ডিফেন্স অ্যান্ড সিক্যিউরিটি বিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির সামনে পেশ করার লক্ষ্যে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেন কানাডার সিনেটর জোসেফ ডে। এরপর প্রতিবেদনটির সর্বশেষ সংস্করণ অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে প্রকাশিত সংস্করণে এমনকি কোথায় কোথায় বোমাগুলোকে স্টোর করা হচ্ছে, সেই বিষয়েও ইঙ্গিত দেয়া হয়। তবে বেলজিয়াম দৈনিকের সংবাদ প্রকাশের পরেই নিজেদের ভুল বুঝতে পারেন ন্যাটোর শীর্ষ কর্মকর্তারা। তারা সঙ্গে সঙ্গে বোমার লোকেশন স¤পর্কিত তথ্য অনলাইন থেকে সরিয়ে ফেলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত