প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অর্থপাচার বন্ধে পদক্ষেপ না থাকায় পাচারকারীরা সুরক্ষা পাচ্ছে, অন্যদিকে পাচারও বাড়ছে, বললেন ড. ইফতেখারুজ্জামান

হ্যাপি আক্তার : অর্থপাচার তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থাকলেও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা যাচ্ছে না। শনাক্ত হচ্ছে না অর্থপাচারকারীরাও। ডিবিসি নিউজ ৯:০০।

কার্যকর পদক্ষেপ আর তদন্তকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে অর্থপাচার।
২০১২ এবং ১৩ সালে তিন দফায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা প্রায় ২১ কোটি টাকা সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরত আনে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এখন পর্যন্ত এটাই পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার রেকর্ড।

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৮ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকা। এক বছরে বেড়েছে ২৯ শতাংশ।

গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি-জিএফআই’র সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, ২০১৫ সালে কেবল বাংলাদেশে থেকেই পাচার হয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান একই বিষয় নিয়ে কাজ করলে বিষয়টি খণ্ডিতভাবে দেখা হয়। একটি প্রতিষ্ঠান বা এজেন্সির মাধ্যমেই বিষয়টি দেখা উচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কাজটি সমন্বিতভাবে হচ্ছে না। সবাই যদি একসাথে সমন্বিত তথ্যের ভিত্তিতে কার্যকার পদক্ষেপ নেয়া হলে তা ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।

কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত আনা গেলে অন্যদেরগুলোও ফেরত আনা সম্ভব বলে মনে করেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, অন্যগুলোতে কেন সফল হচ্ছে না এর কোনো কারণ থাকতে পারে না, এর সঙ্গে জড়িত একটি বড় অংশ উচ্চ ক্ষমতাধর ব্যবসায়ীরা, তাই বাধা আসছে। সম্পাদনা : রাজু আহ্সান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত