প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতের সরকারি গবেষণা
জলবায়ু পরিবর্তন ভারতে বন্যার পরিমাণ বাড়িয়েছে

নূর মাজিদ : জলবায়ু পরিবর্তন ভারতের আবহাওয়ায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে একদিকে যখন দীর্ঘদিন ধরে অনাবৃষ্টি এবং ক্ষরা বিরাজ করছে, ঠিক তখনই আকস্মিকভাবে অতি-বৃষ্টির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আস্কমিক অতি বৃষ্টি মাটির পানি শোষণের ক্ষমতার চাইতে বেশি হওয়ায় বিপুল জলরাশির স্রোত বাড়িঘর, কৃষিজমি সবকিছু ধবংস করছে। এটা দেশের অর্থনীতিতে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি যোগ করছে। ভারতের পরিবেশ এবং বন মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সূত্র : ডাউনটুআর্থ।

ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ইন্ডিয়া : অ্যাসেসমেন্ট এ সেক্টোরাল অ্যান্ড রিজিওনাল অ্যানালাইসিস ফর ২০৩০’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি জানায়, চলতি শতকের শেষ দিকে এই প্রবণতা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। বিশেষ করে, বিশ্বের তাপমাত্রা ২০৭১ থেকে ২১০০ সাল নাগাদ অনেকখানি বাড়বে, যার সরাসরি প্রভাবে ভারতীয় উপমহাদেশে বন্যার তীব্রতাও বাড়বে।

এছাড়াও, হিমালয় অঞ্চলে তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে। ২০৩০ সাল নাগাদ এই তাপের তীব্রতা ২ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে বলেও জানানো হয়। তাপমাত্রা বাড়ার কারণে আকস্মিক বন্যা, কাদা স্রোত সৃষ্টি হবে। যা ভূমিধবসের পরিমাণ সৃষ্টি করে বিপুল কৃষি জমিতে ভাঙ্গনের সূচনা করবে। হুমকির মুখে পড়বে খাদ্য নিরাপত্তা।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৯০১ সালের পর ২০১৮ সালে ভারতে মৌসুমি বৃষ্টি সবচেয়ে কম হয়েছে। এমনকি ১৯০১ সালের পর এটাই ছিলো দেশটির উষ্ণতম বছর। এছাড়াও, চলতি ২০১৯ সালের বর্ষা মৌসুম গত এক যুগের মাঝে সবচেয়ে দেরীতে শুরু হয়েছে। জুলাইয়ের ৭ তারিখ নাগাদ বৃষ্টি ঘাটতির পরিমাণ ২১ শতাংশ ছিলো। গত জুনে বিগত ৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২০১৪ সালের জুনের পর এটা পরিমাণ ৪২ শতাংশ কম। চলতি বর্ষা মৌসুমে ভারতের ২০টি রাজ্যে আশানুরূপ বৃষ্টি হয়নি। তবে কোন কোন রাজ্যে বিশেষ করে উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টি হওয়ায় বন্যা বন্যা পরিস্থিতির তীব্র অবনতি হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত