প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উত্তর ও উত্তরমধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির দিকে, বললেন নির্বাহী প্রকৌশলী

নুর নাহার : সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি যদিও কিছুটা উন্নতির দিকে তথাপি দেশের উত্তরাঞ্চল এবং উত্তরমধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, বলেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূইয়া। বিবিসি বাংলা ৭:৩০

উত্তরাঞ্চলের যমুনা নদীর পানি সব পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে কারণে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও জামালপুর এই তিনটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি নাজুক অবস্থায় পৌঁছে রয়েছে। সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, টাঙ্গাইল এবং মানিকগঞ্জেও বন্যা প্রভাব বিস্তার করেছে।
আরিফুজ্জামান ভূইয়া বলেন, অধিকাংশ নিম্ন অঞ্চলে পানি উঠেছে। এছাড়া কিছু কিছু জায়গা বিশেষ করে গাইবান্ধা এবং জামালপুরের কিছু উঁচু এলাকাতেও পানি উঠেছে।

তিনি বলেন, উত্তর পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের বন্যা ক্রমই উন্নতির দিকে। খুব শীঘ্রই সেখানে স্বাভাবিক অবস্থা চলে আসবে। তবে উত্তর পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আগামী দুই-তিন দিন আরো কিছুটা অবনতি হতে পারে। পূর্বাভাসে দেখা যায় শুক্র-শনিবার থেকে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে উত্তরাঞ্চলের বন্যা উন্নতি হবে থাকবে।

ভূইয়া বলেন, এই বন্যার মূল কারণ উজান থেকে আসা বৃষ্টির পানি যা প্রধান নদীগুলো দিয়ে বাংলাদেশে আসে। উজানে প্রতিটি বড় নদীই এখন বন্যায় রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র, যমুনা নদী যা আসাম দিয়ে এসেছে, আসামে নদীর পানি বেড়ে সেখানে বন্যা হচ্ছে। এছাড়া উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে গঙ্গা নদী উত্তর প্রদেশ এবং বিহার হয়ে এসেছে সেখানেও বন্যা। বিহার সংলগ্ন নেপালেও বন্যায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলেও সাঙ্গু, মাতামুহুরী মিয়ানমার থেকে এসেছে সেখানেও যথেষ্ট পানি বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করেছি।

তিনি আরো বলেন, আসাম মেঘালয় এবং বিহার অংশে একটি ভারী বৃষ্টিপাত গত সপ্তাহে হয়েছে। এখন সার্বিকভাবে এই বৃষ্টিপাত কমেছে এবং নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। বিহারেও আর এক-দুইদিন বৃষ্টিপাত থাকতে পারে। তবে আগামী দুই মাসে এমন বন্যা আরো হতে পারে।
সম্পাদনা : রেজাউল আহ্সান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত