প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে লোকালয়ে মায়া হরিণ

মাজহারুল ইসলাম : খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে বন্যপ্রাণি চলে আসছে লোকালয়ে। পাহাড় কেটে বনাঞ্চল ধ্বংসের করায় খাদ্যাভাবে হারিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন বন্যপ্রাণী। গতকাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম আকবর শাহ এলাকায় একটি পাহাড় থেকে একটি মায়া হরিণ লোকালয়ে চলে আসে। স্থানীয় লোকজন হরিণটি আটকে রাখে। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সেটি উদ্ধার করে নিয়ে যান। ভোরেরকাগজ

পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কারিগরি) মুক্তাদির হাসান বলেন, সোমবার গভীর রাতে হরিণটি ফয়’স লেকের উত্তরদিকে পাহাড়ের নিচে একটি কলোনির বাসায় ঢুকে পড়ে। ওই বাসার লোকজনসহ স্থানীয়রা সেটিকে আটকাতে গেলে হরিণটি লাফালাফি শুরু করে। এক সময় দুর্বল হয়ে যায় এবং আঘাতে হরিণটির শিং দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। এ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন হরিণটিকে বস্তায় ভরে রাখে। সকালে ঘটনাস্থল  থেকে হরিণটিকে উদ্ধার করা হয়। হরিণটি চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ভারপ্রাপ্ত কিউরেটর ডা. শাহাদাৎ হোসেন শুভ বলেন, ‘ প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় হরিণটি দুর্বল ছিল। পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেয়ার পর হরিণটি সুস্থ হয়ে উঠে। হাঁটাচলার উপযোগী হওয়ার পর সেটিকে আবার পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়। এরপর পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে হরিণটিকে চট্টগ্রামের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হরিণটিকে ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মুক্তাদির হাসান বলেন, আকবর শাহ এলাকার পাহাড়গুলোতে আগে নিয়মিত মায়া হরিণ দেখা যেত। এখনো ২০-২২টি হরিণ আছে। কিন্তু পাহাড় কেটে বন উজাড় করে ঘরবাড়ি বানানো কারণে মায়া হরিণ আবাসস্থল হারাচ্ছে। খাদ্যের অভাবও তৈরি হয়েছে। ফলে সেগুলো এখন প্রায়ই লোকালয়ে এলে মানুষের হাতে ধরা পড়ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত