প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আটকে পড়ার ৪০ ঘন্টা পর পাকিস্তানে এক খনি শ্রমিক জীবিত উদ্ধার; এখনো আটকে আছে ছয় জন

শুভ্র সাহা: কোয়েটা জেলার ডেগারি এলাকায় এক কয়লা খনিতে আটকে পড়ার ৪০ ঘন্টা পর এক কয়লা খনি শ্রমিককে জীবিত উদ্ধারের পাশাপাশি চারটি মৃতদেহ বের করেছে উদ্ধারকর্মীরা। এখনো পর্যন্ত ছয় জন নিচে আটকে আছে। বালুচিস্তানের প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান ইমরান খান জারকুন এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন । তিনি আরো জানিয়েছেন এখনো আটকে থাকা বাকিদের উদ্ধার করার আগ পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। দ্যা ডন।

গত রবিবার হাজার ফুট গভীর এক কয়লা খনিতে বিষাক্ত গ্যাস জমা হলে এর ভিতরে ১১ খনি শ্রমিক আটকা পড়ে । বালুচিস্তানের খনি ও খনিজ উন্ন্য়ন মন্ত্রী শাফাকাত ফায়াজ জানান কর্তৃপক্ষ তাদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র লিয়াকত শাহওয়ানী সোমবার স্থানীয় এক টেলিভিশনকে জানান বালুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী এ বিষয়ে অবগত আছেন এবং প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে শ্রমিকদের নিরাপদে উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন একটি দল নিয়োগ দিতে বলেছেন।

এদিকে বালুচিস্তানের শ্রমিক ফেডারেশান সরকার এবং খনি মালিকদের কর্মকান্ডে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবী সরকার কিংবা মালিকপক্ষ কেউই শ্রমিকদের উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। অস্বাস্থ্যকর ও ঝুকিপূর্ণ কাজের পরিবেশের কারণে প্রায়ই শ্রমিক মারা যায় তবে সে সম্পর্কে কোনো খবর প্রকাশিত হয়না।

বৈশিষ্টগত কারণেই অন্যান্য পাথর খননের চেয়ে কয়লা খনন সাধারণত বেশী ঝুকিপূর্ণ হয়ে থাকে। পাথরে ধ্বস, অনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ, বিষাক্ত গ্যাস জমা হওয়া, যন্ত্রপাতিতে ত্রুটি ইত্যাদি অনেক কারণে খনিতে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় খনি শ্রমিক ফেডারেশানের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পাকিস্তানে প্রতিবছর ১০০ থেকে ২০০ কয়লা খনি শ্রমিক দুর্ঘটনায় মারা যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত