প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইউক্রেনের আইনের আদলে বাংলাদেশেও ইনজেকশনের মাধ্যমে যৌন সক্ষমতা নষ্ট করে দেয়ার আইন প্রণয়ন করা যায় কিনা, এ নিয়ে স্টাডি করা উচিত

সুলতান মির্জা : খবর : ইনজেকশনের মাধ্যমে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিশুর ধর্ষণকারীদের যৌন সক্ষমতা ধ্বংস করার আইন পাস করেছে ইউক্রেন। প্রতিক্রিয়া : বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণকারীদের শাস্তি মোটেও মৃত্যুদ-ের পক্ষে নই আমি। কারণ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালেও যদি একটি ধর্ষণের মামলার বিচার চলে সেক্ষেত্রে একটা আসামির সকল বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় বছর তিনেক লেগে যায়। অপরদিকে সাধারণ আদালতে বিচার চললে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে ২০-২৫ বছর লাগে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করতে। এর মধ্যে আইনজীবীদের মাধ্যমে প্রমাণ হলে সাজা হয়, প্রমাণ না হলে মুক্তি পায়। উক্ত সময়ে একজন আসামি রাষ্ট্রের সকল সুবিধা ভোগ করে এমনকি আরও

কয়েকটা ধর্ষণ পর্যন্ত করে। কথা হলো ইউক্রেনে যেই আইনটি পাস হলো ইনজেকশনের মাধ্যমে যৌন সক্ষমতা ধ্বংস করার এই টাইপের আইন ও আইনের বাস্তবায়ন বাংলাদেশে করলে লাভ দুইটা : ১. ধর্ষণের পরে যতোদিন সে বেঁচে থাকবে, সঙ্গে তার নুনু থাকবে, কিন্তু দাঁড়াবে না।
বেঁচে থেকে সে মর্মে মর্মে উপলব্ধি করবে সে ধর্ষণ করে একটি শিশুর জীবন নষ্ট করেছিলো এজন্য তার মেশিন ড্যামেজ করে দেয়া হয়েছে। কাজেই চোখের সামনে নারী ঘুরলেও তার কিছু করার নেই। ২. প্রাকৃতিকভাবে আমরা যেভাবে ধর্ষক তৈরি করছি অন্তত কনফার্ম ইনজেকশনের মাধ্যমে যৌন সক্ষমতা ধ্বংসের আইন ও বাস্তবায়ন হলে সমাজে আমাদের প্ররোচনায় ধর্ষক তৈরি হওয়া নিরুৎসাহী হবে। কাজেই আমার মনে হয়, ইউক্রেনের আইনের আদলে বাংলাদেশেও ইনজেকশনের মাধ্যমে মেশিন ড্যামেজ ও যৌন সক্ষমতা নষ্ট করে দেয়ার আইন প্রণয়ন বা বাস্তবায়ন করা যায় কিনা তা স্টাডি করে দেখা উচিত। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত