প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আইসিসি টিম আজ আসছে, শিগগিরই আসবেন মিয়ানমারের মন্ত্রী

খালিদ আহমেদ : তারিখ নির্ধারণ না হলেও খুব শিগগিরই ঢাকা সফরে আসছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির দপ্তরের মন্ত্রী টিন্ট সোয়ে। এ সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর তারিখ নির্ধারণও হতে পারে। অন্যদিকে রাখাইনে গণহত্যার বিচার নিয়ে আলোচনার জন্য আজ মঙ্গলবার ঢাকায় আসছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের(আইসিসি) একটি প্রতিনিধি দল।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফলপ্রসূ চীন সফরের পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে। তাকে এরই মধ্যে নেপিদো সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। তবে তার আগে মিয়ানমারের মন্ত্রী ঢাকা সফরে আসবেন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন করে বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে।এ সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে এ অঞ্চলে কী ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, সে সম্পর্কে জাতিসংঘ, পশ্চিমা দেশ, এশিয়ার প্রভাবশালী দেশ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার কাছে এরই মধ্যে পৃথক প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। প্রভাবশালী দেশগুলোর বুদ্ধিজীবী ও প্রভাবশালী রাজনীতিকদের কাছে স্থানীয় বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে এ সংকটের আশঙ্কাজনক চিত্র তুলে ধরার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। ফলে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে এ সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে যে ঝিমিয়ে পড়া ভাব এসেছিল, তা কেটে গেছে। বিষয়টি আবারও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক সংকট হিসেবে সামনে এসেছে।

এদিকে আইসিসির রাখাইনে গণহত্যা বিচারের তৎপরতা এ ইস্যুতে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। এরই মধ্যে প্রধান কৌঁসুলি রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত করতে আইসিসির কাছে অনুমতি চেয়েছেন। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গেও চুক্তি করতে চাইছে আইসিসি। আজ মঙ্গলবার একজন ডেপুটি প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে আইসিসির একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা আসছে। চুক্তি হলে তদন্তের প্রয়োজনে বাংলাদেশে আইসিসি একটি অফিসও খুলতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পূর্বনির্ধারিত আন্তর্জাতিক সফরগুলো শেষ করে তিনি দ্রুতই নেপিদো সফরে যাবেন। তবে তিনি আশা করছেন, তার আগেই মিয়ানমারের মন্ত্রী টিন্ট সোয়ে ঢাকা সফরে আসবেন। তিনি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলতে চেয়েছেন। এ সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয় চূড়ান্ত হবে। এমনও হতে পারে, ড. মোমেন নেপিদো সফরে যাওয়ার আগেই রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরতে শুরু করবে।

এর আগে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে একবার ঢাকা সফরে এসেছিলেন মিয়ানমারের মন্ত্রী টিন্ট সোয়ে। তখন তিনি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কোনো মতবিনিময় করেননি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত