প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উল্লাস ও উন্মত্ততায় পার্থক্য আছে

ফরহাদ টিটু : অনেকে জোর করে প্রমাণ করতে চাইছেন বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতা এখন তুঙ্গে। তারা বলছেন যারা ভারত বিরোধী তারাই কেবল বিশ্বকাপে ইন্ডিয়ার এই আকস্মিক পরাজয়ে উল্লাস করছে। কথাটা অর্ধেক সত্য অথবা অর্ধেক মিথ্যা। আমি অনেক মানুষকে জানি, আপনারাও জানেন-চেনেন… যারা রাজনৈতিকভাবে বা পররাষ্ট্রনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতের ঘোর সমর্থক বা নীরব সমর্থক হয়েও ক্রিকেটে ভারতের প্রচ- বিরোধী। তাদের এই ভারতবিদ্বেষ বা বিরোধিতা কেবল ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ। এর শুরু ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে। সুতরাং নিউজিল্যান্ডের কাছে ইন্ডিয়া টিমের হেরে যাওয়া নিয়ে বাংলাদেশিদের

আনন্দকে এক লাইনে ‘ভারতবিদ্বেষ’ যারা বলে দিচ্ছেন তারা নিজেদের অবস্থানও চেক করে নেন দয়া করে… আপনারা কি তবে প্রচ- ভারতপ্রেমী এবং তা ক্রিকেটসহ সব ক্ষেত্রেই? আনন্দ আর উল্লাসের মধ্যে পার্থক্য আছে। পার্থক্য আছে উল্লাস আর উন্মত্ততায়ও। আনন্দ করেন অসুবিধা নেই। উল্লাসও করতে পারেন সীমারেখা মনে রেখে। তবে উগ্রতা, উন্মত্ততা কখনোই কাম্য নয়। অনেককেই দেখছি ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিমকে নিয়ে ট্রল করতে করতে ক্রিকেট খেলার মাহাত্ম্যকে ভুলে যাচ্ছেন, নিজের রুচিবোধকে নোংরা করে ফেলছেন। ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থানকেও ভুলে যাচ্ছেন । এটা কি সমর্থনযোগ্য? আমরা আমাদের দলটাকে নিউজিল্যান্ডের জায়গায় দেখতে চেয়েছিলাম এই বিশ্বকাপে। তা পারিনি খেলোয়াড়দের কিছু ভুলের জন্য। আশা করি ভবিষ্যতে আমরাও বিশ্ব মঞ্চে বড় বড় দলকে নিয়মিত হারাতে শিখবো । তখন ঈদ করবো সারাদেশে। ঈদের দ্বিতীয় দিন, তৃতীয় দিন, চতুর্থ দিন উদযাপন করবো দেশি টিভিওয়ালাদের মতো । ঈদের তৃতীয় রাতে লাগাতার গান ধরবেন ‘উপমহাদেশের প্রখ্যাত’ কোনো কণ্ঠশিল্পী। সেই গান শুনে ক্রিকেট ভুলে যাবেন আমাদের ক্রিকেটাররা কয়েকদিনের জন্য… ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত