প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কারাভোগ শেষে এলাকায় ঘুরছে ঘাতক মফিজ

মিরসরাই প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে স্মরণকালের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৫জন স্কুল ছাত্রের ঘাতক মিরসরাই ট্র্যাজেডির মূলহোতা ট্র্যাক চালক মফিজুর রহমানকে পাঁচ বছরের কারাদ ভোগের পর মুক্তি দিয়েছে চট্টগ্রাম কারাগার। ততকালীন ডেপুটি জেলার মনিরুল ইসলাম বলেন, মিরসরাই ট্র্যাজেডি মামলার ২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর ট্র্যাক চালক মফিজকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেয় আদালত।

তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। আসামি মফিজ জরিমানার টাকা পরিশোধ করায় তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়নি। তাই পাঁচ বছর কারাদণ্ড শেষে ২০১৫ সালের ২৮জুলাই চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার আবু তোরাব-বড়তাকিয়া সড়কের পশ্চিম সৈদালী এলাকায় স্কুলছাত্র বহনকারী একটি মিনিট্রাক খাদে পড়ে ৪৩ শিক্ষার্থীসহ ৪৫জন নিহত হয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকেই পালিয়ে যান ট্রাক চালক মফিজুর রহমান। পরদিন তাকে আসামি করে মায়ানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার কবির আহমদ নিজামী মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার ১০ দিন পর ২১ জুলাই পুলিশ বরিশালের কাউনিয়া থেকে মফিজকে গ্রেফতার করে। একই বছরের ১৬ নভেম্বর থেকে মিরসরাই ট্র্যাজেডির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলার চার্জশিটভুক্ত ৩০ জন ও সুরতহাল রিপোর্টের ছয় সাক্ষীসহ মোট ৩৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৮ ডিসেম্বর এ রায় দেন চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ ফরিদা ইয়াসমিন। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১১ জুলাই সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টের ফাইনার খেলা শেষে বাড়ি ফিরার সময় মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সড়কের দক্ষিণ সৈদালী এলাকায় ৭০-৮০ কিশোর বহনকারী একটি ট্রাক পাশের ডোবায় উল্টে যায়। যেখানে একসাথে ৩৮ জন ছাত্র ও এক অভিভাবক মারা যায়। পরবর্তীতে ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪৫ জনের মৃত্যু গুণতে হয়েছে। তন্মেধ্যে ৪৩ জনই শিক্ষার্থী। যেটি ইতিহাসের পাতায় মিরসরাই ট্র্যাজিডি হিসেবে স্থান করে নেয়। সম্পাদনা : ওমর ফারুক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত