প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কর্ণাটকে বিধায়কদের পদত্যাগের ঘটনায় ‘বিজেপি ঘোড়া কেনাবেচা করছে’ এমন মন্তব্য মমতা ব্যানার্জীর

রাশিদ রিয়াজ, সুস্মিতা সিকদার : কর্ণাটকে বিধায়কদের পতদ্যাগের ধারাবাহিকতায় বুধবার বিরোধীদলের নেতা চন্দ্রকান্ত কাভলেকরসহ গোয়াতেও পদত্যাগ করেছেন ১০ জন বিধায়ক। কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকার গঠন করলেও গত কয়েকদিন ধরে সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার পদত্যাগকারী ১০ বিধায়ক মুম্বাইয়ের এক হোটেলে অবস্থান নেন এবং তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ব্যর্থ হন কংগ্রেস নেতা শিবকুমার। এই ঘটনা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী অভিযোগের তীর ছুড়ে দিয়েছেন বিজেপি’র উপর। তিনি বলেন, বিজেপি কর্ণাটকে ঘোড়া কেনা-বেচার আনন্দে মেতে উঠেছে। এনডিটিভি

তিনি আরো বলেন, ভারতের সংবিধান বিপদগ্রস্ত। তিনি বিজেপি সরকারের এ ধরনের ‘অহংকারী মনোভাবের’ তীব্র নিন্দা করেন। তিনি বিধানসভায় দেয়া বক্তব্যে বলেন, আমি সংবাদ মাধ্যমসূত্রে জানতে পেরেছি, কংগ্রেসের নেতাদের মুম্বাইয়ের হোটেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এমনকি সেই হোটেলের কাছাকাছি কোনো সংবাদ সংস্থাকে যেতে দেয়া হচ্ছে না। সেখানে বিজেপি বিধায়ক কেনা বেচা করছে। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের কিছু গণমাধ্যম সরকারের পক্ষে কাজ করছে।

মমতা বলেন, এই ভাবে ঘোড়া কেনা-বেচা চলতে থাকলে ভারতে গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না। আমাদের সংবিধান বিপদের মুখে। আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামো আজ বিপন্ন। আজ ভারতের গণতন্ত্র বিপর্যস্ত। তিনি আরো বলেন, আমরা প্রতিটি আঞ্চলিক দলসহ অন্যদের সমর্থন করি। মমতা ব্যানার্জী বিজেপিকে দেশের কাজে মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিজেপির কিসের এতো লোভ? সমগ্র ভারতকে হাতের মুঠোয় আনতে কেন তাদের এতো ব্যস্ততা? তিনি এই ঘটনাকে ‘নোংরা রাজনীতি’ বলে অভিহিত করেছেন। কর্ণাটকের পর এবার তারা মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানকে গ্রাস করতে চাইছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এদিকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন কংগ্রেস ও ৩ জন জেডিএস বিধায়ক পদত্যাগ করেছেন। তবে, এই ভাবে গণ ইস্তফা অনুমোদন করা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন কর্ণাটক বিধানসভার অধ্যক্ষ রমেশ কুমার। কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার বুধবার বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও ব্যর্থ হন। ফলে, এখনও পর্যন্ত এই সমস্যার কোন সমাধানের কোন পথ সৃষ্টি হয়নি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত