শিরোনাম
◈ নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই নির্বাচনের আগে সরকারি দপ্তরে নতুন গাড়ি কেনার অনুমোদন ◈ পাকিস্তান থেকে কম দামে রেল কোচ ও ওয়াগন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ ◈ ৪৬তম বিসিএসের ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সুপারিশ ◈ প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নেই পরীক্ষায় পড়বে নতুন সরকার ◈ নির্বাচনে ২৪ ঘণ্টা যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, ৭২ ঘন্টা মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ◈ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দিয়ে আল্লাহ আমার ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন : মির্জা আব্বাস ◈ নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভালো রয়েছে : ইসি মাছউদ ◈ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সার্টিফিকেশন জালিয়াতি রোধে কাজ করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার  ◈ প্রায় ২৪ হাজার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ◈ রমজানে অফিসের নতুন সূচি, প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০১৯, ০৬:১৮ সকাল
আপডেট : ১০ জুলাই, ২০১৯, ০৬:১৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সবক্ষেত্রেই মূল সমস্যা অস্বীকার করে সরকার, বললেন শহিদুল আলম

বিবিসি বাংলা : গত বছরে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার দাবিতে হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় ভুল খবর প্রচারের অভিযোগে ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় এবং ১০০ দিনের বেশি সময় কারাগারে থাকেন তিনি। গণমাধ্যমের বাকস্বাধীনতা সহ অন্যান্য যেসব বিষয়ে বাংলাদেশের সরকারের সমালোচনা করা হয় সেগুলোর প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে সরকার মূল সমস্যাকে অস্বীকার করে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের আলোকচিত্র সাংবাদিক শহিদুল আলম।

যুক্তরাজ্য এবং কানাডা সরকারের যৌথ আয়োজনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রশ্নে দু'দিনের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন আজ লন্ডনে শুরু হচ্ছে- বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের সাথে শহিদুল আলমসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা কতটা আছে- সেই প্রশ্ন গত কয়েকমাসে বেশ কয়েকবার সামনে এসেছে, যে বিষয়টি লন্ডন সম্মেলনে আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন।

বাংলাদেশের আলোচিত ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলম বিবিসি বাংলাকে জানান, বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকতায় কতটুকু স্বাধীনতা আছে, সেই বিষয়টি আলোচনা করা হবে এই সম্মেলনে।

বাংলাদেশে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সমালোচনা এবং বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টার বিষয়গুলোকে এই সম্মেলনে তুলে ধরবেন বলে জানান শহিদুল আলম।

"রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে আদালত, পুলিশের মত বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান থাকে, যেগুলোকে এক এক করে ভাঙা হয়েছে। গণমাধ্যম এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে না পড়লেও দেশের অধিকাংশ গণমাধ্যমকেই স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না।" শহিদুল আলমের মতে, বাংলাদেশে কয়েকটি কণ্ঠ ছাড়া কোনো গণমাধ্যমই সরকারের সমালোচনা করতে পারছে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়