প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খাগড়াছড়ির পাহাড়ি জমিতে ড্রাগন ফল চাষে সফলতা পেলেন হ্লাশিং মং

নুর নাহার : খাগড়াছড়ির পাহাড়ি জমিতে প্রথমবারের মত ড্রাগন ফল চাষ করে সফলতা পেয়েছেন মহালছড়ির কৃষক হ্লাশিং মং মারমা। অনুপ্রাণিত হয়ে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান এ ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অন্যরাও। উঁচু ভূমিতে চাষাবাদ বাড়লে পাহাড়ের কৃষিজ অর্থনীতি বদলে যাবে, মনে করছে কৃষি বিভাগ। ইনডিপেনডেন্ট টিভি ১০:০০

২০১৭ সালে খাগড়াছড়ি হর্টিকালচার সেন্টারের প্রকল্পের আওতায় ড্রাগন চাষ শুরু করেন হ্লাশিং মং মারমা। প্রথমদিকে ৫শ’ ড্রাগন গাছ নিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে তার ৪০ একরের বাগানে গাছ রয়েছে ২ হাজার ২শ’টি। প্রস্তুতি চলছে আরো ৯০০টি চারা রোপণের।
হ্লাশিং মং মারমা বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পাওয়ায় ভালো ফলন হয়েছে ড্রাগন ফলের। প্রথমবার প্রায় ১লাখ টাকা ভল বিক্রি করেছি। বর্তমানে প্রতি গাছে ফল পাওয়া যাচ্ছে ৪-৫ কেজি করে। প্রতি মৌসুমে ৪-৫ লাখ টাকার ড্রাগন ফল বিক্রি করতে পারবো।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫শ’ ফুট পাহাড়ি উঁচু ভূমিতে ড্রাগন ফল চাষের সাফল্য দেখে আগ্রহী হচ্ছেন জেলার অন্যান্য চাষিরাও। হ্লাশিং মং মারমার বাগানে কাজ করেও স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেকে।

উঁচু পাহাড়ে ড্রাগন ফল চাষ বাড়াতে চেষ্টা চালাচ্ছে কৃষি বিভাগ। এছাড়া হ্লাশিং মং মারমার বাগানে ড্রাগন ফলের চারাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও দিচ্ছে খাগড়াছড়ি হর্টিকালচার সেন্টার।

খাগড়াছড়ির পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুন্সী রাশীদ বলেন, তার যে চেষ্টা এটি অবশ্যই অনুকরণীয় বিষয়। অনেক চাষীই তাকে দেখে ড্রাগন চাষে অনুপ্রাণিত হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি হর্টিকালচার সেন্টারের উপ পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, এত উঁচু পাহাড়ে ড্রাগন চাষের নজির এটাই প্রথম। খাগড়াছড়িতে অনেক জায়গা এখনো জঙ্গলে ভর্তি। এই জমিগুলো যদি আবাদী জমির আওতায় নিয়ে আসতে পারি এ ফলের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পাবে।

খাগড়াছড়িতে অপ্রচলিত ও বিলুপ্তপ্রায় ফল চাষে সফল হয়েছেন হ্লাশিং মং মারমা। বর্তমানে নানা জাতের প্রায় ২০ হাজার ফলের গাছ রয়েছে তার বাগানে। সম্পাদনা : রাশিদুল ইসলাম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত