প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাঁশের স্বীকৃতি প্রয়োজন

মোস্তফা ফিরোজ : সম্প্রতি বাঁশ নিয়ে অনেকেই ঠাট্টা মশকরা করেন। যেমন ভবনের পিলার অথবা কংক্রিটের রাস্তায় বাঁশের ব্যবহার নিয়ে হৈচৈ করার চেষ্টা করা হয়। অতি সম্প্রতি রেল লাইনের নাটের পরিবর্তে বাঁশের কঞ্চি বা গুড়া ব্যবহারের একটি সচিত্র প্রতিবেদন দেখলাম। সরকারি প্রকল্প কাজেই বাঁশের ব্যবহারের বিষয়টি লক্ষ্য করা যায়। এক্ষেত্রে দুর্নীতির কথাটি সামনে আসছে। কিন্তু আমি ভাবছি বাঁশের বিষয়টি যদি সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়া যায় তাহলে কিন্তু সব বিতর্কের অবসান হয়। কেন সেটা ব্যাখ্যা করছি।

আমরা কিন্তু কথায় কথায় বলি যে আমার বাঁশ গেছে (সর্বনাশ)। ওরে বাঁশ দেবো (ক্ষতি)। অথবা শরীরের বিশেষ অঙ্গের উল্লেখ করেও বলি যে, বাঁশ ঢুকাবো। আবার বলি যে, বাঁশের চেয়ে কঞ্চি শক্ত। মানে সিনিয়রের গুরুত্ব কম। এছাড়াও ইতিহাসে বাঁশের কেল্লার কথা অনেকেই জানেন। মৃত্যুর সময় কবরে বাঁশের প্রয়োজন হয়। সব মিলিয়ে বাঁশ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। এই জিনিসকে যদি আমরা নির্মাণ কাজে ব্যবহার করি তাহলে সমস্যা কোথায়? এই বাঁশকে যদি লোহার রড বা নাট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে লাগাই তাহলে ক্ষতি কোথায়? স্বীকৃতি নেই বলে আমাদের প্রকৌশলী ও ঠিকাদার ভাইয়েরা সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ কাজে চুপচাপ এই বাঁশ ও কঞ্চি ব্যবহার করে যাচ্ছেন। আমরা হয়তো জানিও না দেশের কতোগুলো স্থাপনা বাঁশ ও কঞ্চি দিয়ে নির্মিত। তাই এই বাঁশ ও কঞ্চির স্বীকৃতি প্রয়োজন। এতে নির্মাণ খরচ কমে যাবে। এছাড়া ধানের দাম পাওয়া যায়নি বলে যাদের আফসোস, সেই কৃষক ভাইয়েরা ধানের বদলে বাঁশ চাষে লাভবান হতে পারেন। তাই বাঁশ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত