প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নতুন অর্থবছরে মূল চ্যালেঞ্জ রাজস্ব আদায় কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি মনে করেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা

নুর নাহার : নতুন অর্থবছর শুরু হচ্ছে সোমবার । বর্তমান সরকারের প্রথম অর্থবছরে রাজস্ব আদায়, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বাড়ানোকেই চ্যালেঞ্জ মনে করছেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা। ইনডিপেনডেন্ট টিভি ১০:০০

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ব্যাংকিং খাতের সংকট।

ব্যাংক খাতে বাড়তে থাকা খেলাপি ঋণ, তারল্য সংকট এ মুহুর্তে আর্থিক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা। যদিও এসব সমস্যা থেকে উত্তরণে নানা অংক কষছেন নীতি নির্ধারকরা। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রাও অর্জিত হচ্ছে না।

গত অর্থবছরের ৯ মাসের হিসেবে, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। তবে এতসব নেতিবাচক খবরের মধ্যেও রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়িয়েছে ৩২ বিলিয়ন ডলারের ওপরে।

নতুন অর্থবছর মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৫ শতাংশে আটকে রেখে ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চায় সরকার। এজন্য বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নতুন বাজেটে ব্যাংক নির্ভরতা বাড়িয়েছে সরকার। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর ফলে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ভিসিসিআইর সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, ব্যবসায়ীরা কিভাবে ঋণ পাবে এবং ঋণ কতো পরিমাণে তাদের পক্ষে যাবে সেটি দেখার বিষয়। আর বিনিয়োগে জিডিপির যে টার্গেট ধরা হয়েছে ২৪.২ শতাংশ এটি ঠিক করা মনে হয় একটু কঠিন হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, খেলাপী ঋণ আদায় করে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।

পিআরআইর ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমেদ বলেন, আমরা জানি গত কয়েক বছর ধরে ব্যাংকের ওপর চাপ পড়েছে। এগুলো তো সংজ্ঞা পরিবর্তন করে সংশোধন যাবে না। সম্পাদনা : জামাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত