প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রাইভেটকারে মিললো ৮২কেজি গাঁজা,গ্রেফতার ৩

মাসুদ আলম : রাজধানীর দক্ষিণখান গাওয়াইর কাজী বাড়ি এলাকায় দুটি প্রাইভেটকার তল্লাশি চালিয়ে ৮২ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১। গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ বাছির মিয়া (৩০), মোঃ ওলিদ হোসেন (২৮) ও মো. জীবন। তাদের কাছ থেকে ৪ টি মোবাইল ফোন, নগদ ১ লাখ ৩ হাজার ৯শ টাকা ও ২টি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে এ অভিযান চলে।

র‌্যাব-১ এর সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি)মো.কামরুজ্জামান বলেন, ব্রাহ্মনবাড়িয়া থেকে ২টি প্রাইভেটকারে করে একটি মাদকের চালান আসছে এমন সংবাদের আভিযান চালিয়ে প্রাইভেটকার দুটির আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ৮২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালানকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ব্রাহ্মনবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে গাঁজা নিয়ে প্রাইভেটকারে করে ঢাকায় নিয়ে আসে। চক্রের অন্যতম সদস্য ব্রাহ্মনবাড়িয়ার গঙ্গানগর এলকার স্বপন। সে ভারত থেকে গাঁজার চালান নিয়ে আসে। তার কাছ থেকে গ্রেফতারকৃতরা প্রাইভেটকারে করে ঢাকায় নিয়ে আসার পর সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ওই চক্রের সদস্যরা এক থেকে দেড় লাখ টাকায় ক্রয় করে মেরামত করে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহার করে। মাদক পরিবহনের কাজ অনেক ঝুঁকিপূর্ণ এবং যে কোন সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বিধায় বেশি দামের গাড়ি ব্যবহার করা হয় না বলে তারা জানায়। বাছির জিজ্ঞাসাবাদে জানায় সে পেশায় একজন দর্জি। সে ২ বছর আগে ঢাকায় আসে। এর অগে সে তার নিজ এলাকায় মাদক ব্যবসা করত। পরবর্তীতে ব্যবসা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সে স্বপনের পরামর্শে ঢাকায় আসে এবং মাদক পরিবহনের জন্য ১ টি পিকআপ ও ৪ টি প্রাইভেটকার কিনে। যার একটি গাঁজাসহ রূপগঞ্জ থানা পুলিশ আটক করে। এসব প্রাইভেটকারে করে মাদকের চালান এনে ঢাকার মাদক কারবারিদের কাছে বিক্রয় করে। অধিকাংশ চালান মিরের বাজার ও আশুলিয়া এলাকায় হস্তান্তর করে। মাদকদ্রব্য বিক্রির টাকা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আদান-প্রাদান হয়। ওলিদ জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে পোশায় একজন কার মেকানিক। সে প্রায় ১২ বছর যাবৎ ঢাকায় বসবাস করছে। বাছিরের ক্রয়কৃত গাড়ি সে মেরামত করে দিত। পাশাপাশি তার হয়ে গাঁজার চালান পরিবহনে সহযোগীতা করত। সে প্রায় দুই মাস আগে একটি ৩২ কেজি গাঁজার চালানসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী হাতে গ্রেফতার হয়। জীবন জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে পেশায় একজন ড্রাইভার। সে এই চক্রের সাথে প্রায় এক বছরের বেশী সময় ধরে কাজ করছে। সে বাছিরের নির্দেশে ব্রাহ্মনবাড়িয়া থেকে ঢাকায় গাঁজার চালান নিয়ে আসে। চালানপ্রতি তাকে বিশ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত