প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গরুকে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার সময় দুধ সরবরাহ করা যাবে না

আব্দুন নূর তুষার, ফেসবুক থেকে, পাস্তরিত তরল দুধে ক্ষতিকর জীবানু থাকে না, কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যেতে পারে। এই নিয়ে বেশ কিছু দেশে গবেষণা হয়েছে। সেসব দেশেও এটা পাওয়া গেছে। প্রানী চিকিৎসকরা প্রানীর চিকিৎসা করতে প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক দেন। এটা বন্ধ করতে চাইলে এটাও মানতে হবে যে প্রচুর গরু অসুখে মরবে। যেটা করা যেতে পারে সেটা হল, অ্যান্টিবায়োটিক চলাকালে দুধ বেচা বা সংগ্রহ করে মিল্ক ভিটা বা প্রানকে সরবরাহ করা যাবে না।

ডিটারজেন্ট দিয়ে খামারী তার দুধের পাত্র ধোয়। সাধারণত সেখানে সে প্রচুর পানি ব্যবহার করে না কারন তাকে নলকূপ চেপে পানি তুলতে হয়। তারা সাবান মিশ্রিত একটা চৌবাচ্চায় পাত্র ডোবায় ও তারপর একবার ধুয়ে নেয়। পাত্রে ডিটারজেন্ট থেকে যায়। দুধে ঔষধ ও ডিটারজেন্ট পাওয়ার দায় খামারীর। কারন সে জানে কোন গরু ঔষধ পাচ্ছে। সে কম পানিতে পাত্র পরিস্কার করেছে।

অ্যান্টিবায়োটিক টেস্ট করা সময় সাপেক্ষ। কারখানার গেটে এটা করা সম্ভব না। তাহলে দুধের কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত