প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাদকসেবীর তালিকায় সাবেক এমপিসহ রাঘব বোয়ালদের নাম থাকলেও তাদের ধরা হচ্ছে না, বললেন ফাহিমা নাসরিন

নুরনাহার : আর্ন্তজাতিক মাদক দিবস উৎযাপনে বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন মাদকের সমস্যা এবং সমাধান নিয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বিবিসি বাংলা-৭.৩০

মাদকের বিরুদ্ধে বছরখানেক ধরে সরকারের পক্ষ থেকেও কঠোর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। সন্দেহভাজন বেশ কিছু মাদক ব্যবসায়ী নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে মারা গেছে। গত দেড় বছরে ১১ হাজারের বেশি লোকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আত্ম সমর্থন করেছে অনেক ব্যবসায়ী।
এসব তৎপরতার কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে কিনা তা নিয়ে মাদকাসক্ত প্রতিষ্ঠান মুক্তির চেয়ারপার্সন ফাহিমা নাসরিন বলেন, তেমন কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর একটি লিষ্ট করেছিলো যেখানে স্থানীয় পর্যায় থেকে একেবারে ওপর পর্যন্ত অনেকের নামই এসেছিলো। একজন সাবেক সংসদ সদস্যের নামও এসেছে। সত্যিকার অর্থে মাদক নির্মূলে রাষ্ট্রীয় সদিচ্ছর প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, মাদক নির্মূল একমাত্র প্রাধান্য হতো যদি সত্যিকার অর্থে আমরা দেখতাম চুনোপুটি যারা তাদেরকে ধরে ক্রস ফায়ারে না নিয়ে বড় বড় লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সরকারের রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে সেরকম কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায় নি। এখন এর জন্য যেটি দরকার সেটি তো বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নয়।

তিনি আরো বলেন, সবাই জানে বাস, ট্রাক ড্রাইভার থেকে শুরু করে প্রতিদিন বহু মানুষ প্রতিদিন সড়কে প্রাণ দিচ্ছে শতকরা বেশির ভাগই ড্রাগএডিক্ট। আইনের প্রয়োগে অপ্রতুলতায় যেটি হওয়ার কথা সেটি সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে কেউ নিশ্চয় সমর্থন করে না। দেখতে হবে সত্যিকার অর্থে কারা জড়িত। মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া ভীষণ জরুরী।
মাদক নির্মূল করা প্রথম পর্যায়ে একেবারে অসম্ভব। কিন্তু প্রতিরোধ করা যেতেই পারে। যেমন বর্ডার রয়েছে, রোহিঙ্গারাও মাদক, ইয়াবার মধ্যে জড়িয়ে গেছে। এখন এগুলোর দিকে চোখ রাখা এবং কঠোর থেকে কঠোরতর আইন করা জরুরী। ১১ হাজার মামলা রয়েছে। এই মামলায় কয়টিতে শাস্তি হয়েছে। দৃষ্টান্তমূলক কিছু শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। তাহলেই মানুষের আস্থা আসবে। এটি সব সময় চালিয়ে যেতে হবে। এটি এমন না যে আজ একটি বিশেষ দিনে বললাম আর শেষ হয়ে গেলো। এটি সারা বছর করতে হবে, প্রতি দিন হবে। মনিটরিং থাকবে। তাহলেই এটির উন্নতি হবে। চুনোপুটিদের ধরা হচ্ছে। নিরীহ মানুষ মারা যাচ্ছে কিনা সেটি আমরা জানি না। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত