প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্কুলে সুযোগ না পেয়ে রোহিঙ্গা শিশুরা মাদ্রাসায় উগ্রবাদের দীক্ষা নিচ্ছে, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের নিবন্ধ

আসিফুজ্জামান পৃথিল : বাংলাদেশের বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি নিষেধাজ্ঞা ররয়েছে ৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশুর। বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দিলেও মূল জন¯্রােতে মিশে যাওয়া শঙ্কায় স্কুলে ভর্তির অনুমতি দিতে পারছে না। তাই তারা শিবিরের ভেতরে পরিচালিত মাদ্রাসায় পড়ছে। এই মাদ্রাসাগুলোয় বাংলাদেশের মাদ্রাসার মানও অনুসৃত হয় না। কোন নীতিমালা না থাকায় এই মাদ্রাসাগুলো ইচ্ছেমতো পাঠ্যক্রম অনুসরণ করছে। ফলে কট্টর উগ্রবাদের দীক্ষা পাচ্ছে কোমলমতি শিশুরা। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশী নয়। কিন্তু বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু মিল রয়েছে। এই সুযোগ নিয়ে তারা মূল জন¯্রােতে মেশার চেষ্টা করছে। তাই বাংলাদেশের সাধারণ স্কুলে রোহিঙ্গা শিশুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। স্বাভাবাকিভাবেই বাংলাদেশ চায়না, তাদের একটি প্রজন্ম সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যাক। অবশ্য এরপরেই বেশ অনেকগুলো রোহিঙ্গা শিশূ বিভিন্নভাবে স্কুলে ভর্তি হয়েছিলো। কিন্তু এ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কঠোর অবস্থান নেয়। ফলে স্কুলগুলো এই শিশুদের ভর্তি করেছিলো তারা বহিস্কার করে। এই শিশুদের আশ্রয় হয় শিবিরে পরিচালিত বিভিন্ন মাদ্রাসায়। যদিও এই শিবিরগুলোতে জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সাহায্য সংস্থা পরিচালিত বিদ্যালয় আছে, তবুও রোহিঙ্গা পিতামাতারা সন্তানদের এসব মাদ্রাসায় পাঠাতেই বেশি আগ্রহী।

রোহিঙ্গাদের শিবিরগুলোতে বর্তশানে হাজারেরও বেশি মাদ্রাসা পরিচালিত হচ্ছে। এরকম এক মাদ্রাসার শিক্ষক সাউথ চায়না মনিংং পোস্টকে বলেন, ‘আমরা মানুষকে তাদের জাতীয়তার ভিত্তিতে ভাগ করি না। তাদের আমরা আল্লাহর রাস্তায় চলার পথ দেখাই।’ তবে এই মাদ্রাগুলোয় কি শেখানো হচ্ছে তা জানা নেই শিবির পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের। এ কারণে তাদের মধ্যে উগ্রবাদ শেকর গাড়ার সম্ভাবনা বাড়ছেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত