প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়ার জামিনই প্রমাণ করে বিচার বিভাগ স্বাধীন, বললেন ওবায়দুল কাদের

আবুল বাশার নূরু: মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
এর আগে সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আদালত খালেদা জিয়ার জামিন দিতে চাইলে সরকার তাতে হস্তক্ষেপ করবে না। এটি সম্পূর্ণ আদালতের ব্যাপার। আদালত যে কাউকে জামিন দিতে পারেন।

মানহানির দুই মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছয়মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
২০১৪ সালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত মামলা দুটি বিচারাধীন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের আদালত সব সময়ই স্বাধীন। শেখ হাসিনার সরকার কখনোই বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করে না। খালেদা জিয়ার ব্যাপারেও আদালত স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। এ জামিনের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণ হলো, আদালত স্বাধীন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা শুধু বিরোধিতার জন্য বলেন, আদালত স্বাধীন নয়। খালেদা জিয়ার জন্য দলীয়ভাবে কিছু করতে ব্যর্থ হয়ে সরকারের ওপর দোষ চাপান।
খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন কি-না? এ প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটাও আদালতের ব্যাপার। মামলা তো অনেকগুলো। সব মামলায় জামিন পেলে আদালত মুক্তি দেবেন। আদালত নির্দেশ দিলে সরকার কাউকে কারাগারে রাখতে পারে না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে কাদের বলেন, শপথ না নিয়ে ফখরুলে এখন মনে মনে আফসোস করছেন। তাদের দুজন এমপিই সংসদ গরম করে দিয়েছেন। ফখরুল ইসলাম থাকলে সংসদ আরও গরম হতো। তিনি শপথ না নিয়ে নিজেকে ও দলকে বঞ্চিত করেছেন। তিনি যোগ দিলেন না, সতীর্থরা যোগ দিলেন। যারা সংসদে যোগ দিয়েছেন, তারা তো কথা বলছেন। ফখরুল কেন দ্বৈতনীতি গ্রহণ করলেন? সরকারবিরোধী কৌশলের জন্য তিনি শপথ নেননি, এ বক্তব্য হাস্যকর।’

‘বগুড়ার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বিরোধী দলকে ফেল করানোর চক্রান্ত’- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, অতীতে ইভিএম যেখানে ব্যবহার হয়েছে, সেখানেই বিরোধী দলই সুবিধা পেয়েছে। তারাই জয়ী হয়েছে। বগুড়ার উপ-নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে।

বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সরকার পতনের হুঙ্কারের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ রঙিন স্বপ্ন কখনও সফল হবে না। বিনা মেঘে গর্জন হয় না। মেঘ তো সৃষ্টি করতে হবে। আষাঢ় মাস তর্জন-গর্জনের মাস। তাই তারাও গর্জন করছেন। সম্পাদনা: অশোকেশ রায়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত