প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাজেট কমে যাওয়ায় কেন ক্ষুব্ধ সাংস্কৃতিক কর্মীরা?

লীনা পারভীন : বাজেট কমে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নেতারা। গত বাজেটে যা ছিলো ৬২৫ কোটি টাকা, এবার তা ৫৭৫ কোটি টাকা। একজন সাধারণ দর্শক হিসেবে প্রশ্নটা আমাদের সাংস্কৃতিক কর্তাব্যক্তিদের কাছে।

১. বাজেট কমার কারণ কী? বিশ্লেষণ করেছেন প্রতিবাদ করার আগে? বিটিভিসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের আগের বাজেটের প্রায় বড় একটি অংকের টাকা ফেরত গেছে বলে জানা গেছে যা ট্রিবিউনে নাসিরুদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুও বলেছেন। কেন? এর দায় কার? কর্তৃপক্ষ হয় অযোগ্য কারণ তারা জানেই না কতো লাগবে আর কোন কোন খাতে খরচ করবে আর না হয় বাজেটে যা যা খাত ছিলো সেগুলোর মধ্যে মিনিমাইজ করে ভাগাভাগি হয়েছে।

যেকোনো সেন্ট্রাল বাজেটের আগে বিভাগীয় বাজেট জমা দেয়া নিয়ম। না হলে সেন্ট্রাল বাজেট করা যায় না। সরকার নিজে গোটা বাজেট করে না। প্রদেয় আয় ব্যয়ের হিসাব কষেই জাতীয় বাজেট প্রণীত হয়। তখন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো কোথায় ছিলো? এখানে কী প্রশাসনিক যোগ্যতা/দুর্নীতি/খাতওয়ারি টাকা খরচ না করা কোনো বিষয় হতে পারে? বিটিভিতে শিল্পী সম্মানী অত্যন্ত নিম্ন। কেন এইসব নিয়ে কাজ করা হয় না?

২. গত বাজেটের ৬২৫ কোটি টাকার হিসাব কী? দেশের কোথায় কোথায় কী কী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে? কয়টা উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে? শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশে কী কী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে? শিল্পকলা থেকে শুরু করে সকল প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়, ব্যয়, কর্মীদের বেতন বা জীবন মানের উন্নয়নে কতো টাকা ব্যয় হয়েছে? এসবের কোনো হিসাব কি আছে কারও কাছে? ক্ষতিয়ান না করে কেবল প্রধানমন্ত্রী আমাদের বাঁচান বলে হাত পা ছড়ালেই হবে? বরাদ্দ নেবেন কিন্তু সঠিক ব্যবহার করবেন না, সে কেমন করে চলে?

কোথাও ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু দিনে দিনে হতাশা বেড়েই যাচ্ছে। নাটক সিনেমা, ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে আমাদের শিল্পাঙ্গন প্রায় মৃতশিল্পে পরিণত হচ্ছে। দেশে যদি অসাম্প্রদায়িক চেতনার উন্মেষে আপনাদের কোনো ভূমিকাই না থাকে তাহলে আর জনগণের পকেটের আর ঋণের টাকা বরাদ্দ দিয়ে লাভ কী? তার চেয়ে মসজিদ মাদ্রাসার প্রসার ঘটুক সেই ভালো। আপনারাও চেয়ে চেয়ে দেখেন। অনেকতো পকেট ভরলেন। এবার কিছু কাজ করে দেখান মহামান্যরা। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত