প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১৬ দিনে টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১

মহসীন কবির: কক্সবাজারের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৬ দিনে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত আরও কয়েকজন। ‘বন্দুকযুদ্ধের’ পর ঘটনাস্থল থেকে অনেক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ১ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত এসব নিহতের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের খবর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

১৬ জুন কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে এক লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা, চারটি দেশীয় তৈরি বন্দুক (এলজি) ও ২১ রাউন্ড কার্তুজ জব্দ করা হয়েছে। রোববার (১৬ জুন) ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাদক কারবারিরা হলেন, কক্সবাজার পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার দিল মোহাম্মদ (৪২), একই এলাকার ইউনূছের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (২২) ও চট্টগ্রামের আমিরাবাদের মাস্টারহাট এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪২)। র‌্যাবের দাবি এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর ও সোহেল নামে র‌্যাবের দু’জন সদস্য আহত হয়েছেন।

১৫ জুন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে মো. রাসেল মাহমুদ (৩৬) নামের এক ‘মাদক কারবারি’ নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আজ শনিবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের দৈংগাকাটা পাহাড়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের দাবি। নিহত রাসেল নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার উত্তর লক্ষণঘোনা এলাকার বাসিন্দা।

১০ জুন কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যিনি মাদক কারবারি বলে দাবি করছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীটি। সোমবার ভোরে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

৭ জুন কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক কারবারী ও শিশু অপহরণকারী চক্রের ৩জন সদস্য পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। তারা তিনজনই রোহিঙ্গা বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

টেকনাফ উপজেলার লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ের কাছে পুলিশ অভিযানে গেলে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলিবর্ষণ করে। এতে পুলিশের কনস্টেবল সেকান্দর, এরশাদুল ও সৈকত বড়ুয়া আহত হন। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে কিছুক্ষণ পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল তল্লাশি করে লেদা রোহিঙ্গা বস্তির গুলিবিদ্ধ ও মুমূর্ষ অবস্থায় উখিয়া উপজেলার থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-২ ব্লকের মোক্তার আহমদের পুত্র নুর আলম (২১), সি-১ ব্লকের নুর মোহাম্মদের পুত্র শামসুল আলম (৩৫) এবং লেদা রোহিঙ্গা বস্তির আজিজুর রহমানের পুত্র হাবিবকে (২০) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মৃত্যুবরণ করেন। ‘বন্দুকযুদ্ধের’ পর ঘটনাস্থল থেকে ৩টি এলজি, ৮টি গুলি ও ১১টি গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়।

০৩ জুন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মুফিজুর রহমান মুফিজ (৪১) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে উপজেলার হোয়াইক্যং কাটাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মুফিজুর কাটাখালীর সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য গোলাম আকবরের ছেলে।

পুলিশের দাবি, মুফিজ ইয়াবা কারবারী। বন্দুকযুদ্ধে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ওয়াহেদ, কনস্টেবল মনির হোসেন ও রুবেল মিয়া আহত হয়েছেন।

১ জুন কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রোহিঙ্গাসহ দুই মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছেন। এ সময় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৬ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ও দুইটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে। নাফ নদী সংলগ্ন কে কে খাল ও দমদমিয়ার নাফ নদীতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিজিবির টহল দলের সিপাহী মো. আল ইমরান ও আব্দুল আউয়াল আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, মিয়ানমারের মংডু নাফপুরা এলাকার সুলতান আহম্মদের ছেলে মো. আব্দুল গফুর (৪০) ও টেকনাফ কেরুনতলী এলাকার মৃত শরিফের ছেলে মো. সাদেক (২৩)।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত