প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

বাজেটে গণমানুষের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে, বললো আওয়ামী লীগ

সমীরণ রায়: ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে গণমানুষের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় নেতারা বলেন, এ বাজেট গণমুখী ও উন্নয়নমূলক। দেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে একটি যুগোপযোগী উন্নয়নমূলক বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করে তুলতে এই বাজেটে শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আর অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করে তোলার জন্য শিল্পখাতও অগ্রাধিকার পেয়েছে। তারা বলেন, এই বাজেট দেশের সাধারণ জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি গত এক বছরের সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলেও মনে করেন তারা।

এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের এবারের বাজেট। এতে সাধারণ মানুষের প্রতি কোনো বাড়তি চাপ পড়বে না। আওয়ামী লীগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা বিভিন্ন সরকারের আমলে দেখেছি, তাদের বাজেট ঘোষণার পর শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের ওপর করের বোঝা চাপানো হয়। কিন্তু ২০১৯-২০ বাজেটে কোনো করের বোঝা চাপানো হয়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সেবাখাতে ব্যাপক সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি উঠে এসেছে। রয়েছে নিরাপত্তার সুযোগ। তবে এ বাজেটে চমক ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটির টাকার সবচেয়ে বড় বাজেট। এখানে গণমানুষের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় বাজেট। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বেই এত বড় বাজেট ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব। অর্থমন্ত্রী যে বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন তা আগামী প্রজন্মের কথা বিবেচনায় রেখেই করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের কথা বিবেচনায় নিয়ে যেভাবে বাজেট প্রণয়ন করা দরকার সেভাবেই করা হচ্ছে। আমরা আনন্দিত এ বাজেটে দেশের মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এবারের বাজেট জনগণের শুধু আশা আকাঙ্খার পূরণের জন্যই নয়। এটি একটি স্বপ্নের বাজেট। বঙ্গবন্ধু যে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ বিনির্মানের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তারই এক ধাপ অগ্রগতির বাজেট। তবে এবারের বাজেটে আরও একটি নতু মাত্রা যুক্ত হয়েছে। এবার তরুণ সমাজকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এখানে টাকার অংকটা বেশি না হলেও তরুণদের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া উল্লেখযোগ্য দিক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত