প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ দমনে সিটিটিসির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করার কথা জানালেন ডিএসসিসি মেয়র

সুজন কৈরী : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) সঙ্গে কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করবেন। সেইসঙ্গে সকল নির্বাচিত কাউন্সিলরদেরকেও একাজে সম্পৃক্ত করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের মিলনায়তনে ‘সহিংস উগ্রবাদ প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের করণীয়’ শীর্ষক আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সিটিটিসি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটিটিসির প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

মেয়র বলেন, শতবছরের শান্তি প্রিয় এ বাংলার মাটিতে হঠাৎ অশান্তির যে ছায়া পড়েছে, সেটি অবশ্যই প্রতিরোধ করতে হবে। এজন্য আমরা ডিএসসিসির সকলে কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করবো। এজন্য সকল কাউন্সিলরদেরকেও সম্পৃক্ত করা হবে। সকলের সম্মিলত প্রয়াসে আমরা আগামী প্রজম্মের জন্য একটি শান্তি প্রিয় জনপদ রেখে যেতে চাই। আসুন আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, সকলে মিলে প্রতিরোধ করবো সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আশ্বস্ত করেই বলছি- নগর কর্তৃপক্ষ, নগরের নাগরিকবৃন্দ, নগরের যত প্রতিনিধি এবং কর্তকর্তা-কর্মচারী রয়েছে, সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সিটিটিসিকে সহযোগীতা করবো।

তিনি আরো বলেন, আমরা যা অর্জন করেছি এবং যে লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি, সেই লক্ষ্য ব্যাহত হয়ে যেতে পারে যদি আমরা এ সহিংষ উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদকে নিয়ন্ত্রন করতে না পারি। কোনোভাবেই উগ্রবাদ যদি শুরু হয়ে যায়, তাহলেই সমস্ত অর্জন কিন্তু একেবারেই ম্লান হয়ে যাবে। আমাদের ভাববার বিষয় এখনই। কারণ যে দেশের গ্রাম গঞ্জে সাধারণ মানুষের একসময় ঠিকমত বস্ত্র ছিল না, আজ সে বাংলাদেশ প্রথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বস্ত্র রপ্তানীকারক দেশ। যে দেশে যক্ষা, পোলিও রোগে গ্রামের পর গ্রামে শিশুর মৃত্যু হতো, সে বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর ১২২টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে বিশ্বে দ্বিতীয় ওষুধ রপ্তানীকারক দেশ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিশ্রমের কারণেই শুধু সম্ভব হয়েছে। সম্ভব হয়েছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে।

মেয়র বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগে ছুঁয়ে গেছে। দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অগ্রগতির দেশ বাংলাদেশ। অনেক প্রতিবেশি দেশেও এখনো প্রবৃদ্ধির হার নিচে নেমে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কারণ আমাদের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। দেশ আজ মজবুতভাবে অর্থনৈতিক সাবলম্বী হচ্ছে। উন্নয়ণ হচ্ছে জীবন মানের। কিন্তু এটি থমকে যেতে পারে, যদি না আমরা উগ্র-সহিংতাবাদকে একসঙ্গে একযোগে নিয়ন্ত্রন না করি। সম্পাদনা : মুসবা তিন্নি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত