প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চীন সরকার উইঘুরদের একটি কবরখানা ধ্বংস করেছে বলে অভিযোগ এক ঐতিহাসিকের

সুস্মিতা সিকদার : বুধবার ঐতিহাসিক রিয়ান থুম ওই অভিযোগ করেন। তিনি এক টুইট বার্তায় জানান, জিনজিয়ান প্রদেশের কোথান নামক জায়গায় উইঘুর সম্প্রদায়ের কেন্দ্রীয় কবরস্থান ধ্বংস করেছে চীন সরকার। তিনি ওই টুইট বার্তার সাথে দুটো ছবি আপলোড করেন। যার একটিতে ওই স্থানে কবরের ছবি এবং অন্য ছবিতে দেখা যায় কবর বিহীন ভূমি। ইয়ন

অভিযোগ রয়েছে ওই প্রদেশের সবচেয়ে বৃহৎ বৃহত্তম জাতিগত সম্প্রদায়ের উপর পিপলস লিবারেশন আর্মি দীর্ঘ দিন ধরে দমন নীপিড়ন চালাচ্ছে। ‘দ্য সেকরেড রুট অব উইঘুর হিসট্রি’ বই এ উল্লেখ করা হয়, উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকদের ৬দিনের মধ্যে তাদের নিকট আত্মীয়দের মৃতদেহ অন্যত্র সরিয়ে নেয়া জন্য আদেশ জারি করা হয়। বইয়ে উল্লেখিত তথ্য উপাত্ত থেকে জানা যায়, কবরস্থানটি কোথান শহরের সম্পত্তি।

ঐতিহাসিক রিয়ান থুম আরো জানান, এই কবরস্থানই প্রথম নয়, এর আগে কোথান শহরের পশ্চিমাঞ্চলের আরেকটি কবরস্থান গুড়িয়ে দেয়া হয়। তিনি জানান, উইঘুরের বাসিন্দারা তার কাছে এই তথ্য জানিয়েছে।

বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন চীনকে অভিযুক্ত করে আসছে, দেশটি উইঘুর সম্প্রদায়কে শিবিরে আটকে রাখছে। তাদের ধর্মীয় বিষয়ে অনধিকার চর্চা করছে এবং জোরপূর্বক চীনের রাজনৈতিক মতাদর্শের সাথে তাদের ধর্ম ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে মিলিয়ে জোরপূর্বক তাদের নিজস্বতা বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে।

২০১৮ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, তারা বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পেরেছে প্রায় ২০ লাখ উইঘুর এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ‘রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন শিবিরে’ রাখা হয়েছে। তবে চীন তাদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

জিনজিয়ান প্রদেশে প্রায় ১০ লাখ উইঘুর সম্প্রদায়ের বসবাস। ওই প্রদেশটির নাম জিনজিয়ান উইঘুর স্বশাসিত অঞ্চল । এই অঞ্চলটির আয়তন ৬ লাখ ৪০ হাজার বর্গমাইল। যার মাত্র ছয়ভাগের এক ভাগ অঞ্চল চীনের নিয়ন্ত্রণে। সম্পাদনা : ইকবাল খান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত