প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

চীনের ঋণে বিশ্বজুড়ে গোপন দেনার পরিমাণ বাড়ছে, ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশসহ ৭টি দেশ

নূর মাজিদ : বিশ্বের অনেক দেশের সরকারকে অবকাঠামো উন্নয়নে বিপুল পরিমাণে ঋণ দিয়ে চলেছে চীন। অধিকাংশক্ষেত্রেই এসব ঋণ-প্রদাণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়না এবং ঘোষিত অংকের চাইতেও বহুগুণ বেশি গোপন ঋণ দেয়া হচ্ছে। যার কারণে গোপন দেনা বৃদ্ধির উচ্চ-ঝুঁকিও সমানতালে বাড়ছে। পশ্চিমা অর্থনীতিবিদেরা এই নিয়ে গভীর উদ্বেগ ব্যক্ত করে চলেছেন। সম্প্রতি এই উদ্বেগে নতুন মাত্রা যোগ করেন, হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্টের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক কারমেন রেইনহার্ট। সূত্র : সিএনবিসি।

রেইনহার্ট জানান, গোপন দেনার পরিমাণ বাড়ার কারণে একসময় ঋণগ্রহীতা দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গতি হারিয়ে ফেলে স্থবির হয়েও পড়তে পারে। এছাড়াও, আরো অনেক ঝুঁকি রয়েছে এই ধরনের ঋণের। বিশেষ করে, দুর্নীতি, অপরিকল্পিত ও টেকসই নয় এমন অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন, মুদ্রাপাচার এই সকল ঝুঁকির মধ্যে অন্যতম।

রেইনহার্ট আরো বলেন, যে সকল দেশের প্রকৃত ঋণ পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্বের দাতা সংস্থাগুলোকে সতর্ক থাকবে হবে, তার মাঝে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, ইউক্রেন, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর এবং কিউবা রয়েছে। অবশ্য, দেনার দায়ে অর্থনৈতিক সংকটে পড়া পাকিস্তানকে ধরলে মোট ৭টি দেশের ঋণচিত্র পুনঃমূল্যায়ন করা জরূরি হয়ে পড়েছে।

এর আগে তিনি সিঙ্গাপুরে নোমুরা ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে অংশ নিয়ে একই আশংকা ব্যক্ত করেছিলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে এখন অনেক গোপন দেনা। আর এটা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আমরা জানি, কোন দেশ এতে বেশি অবদান রাখছে, সেটা হলো চীন। এমনকি এই দেনা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতো দাতা সংস্থারও সঠিক ধারণা নেই। অনেক দেশ সম্পর্কে যেখানে এই সকল সংস্থা মনে করছে তাদের ঋণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে, প্রকৃত গোপন ঋণের হিসেব বেড়িয়ে আসলে হয়তো দেখা যাবে আসলে দেশগুলো খুবই নাজুক ঋণ পরিস্থিতির মাঝে রয়েছে।’

এটা আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স¤পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা লাভেও বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত