প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গণমাধ্যমের সুরক্ষায় বাজেট অধিবেশনে আসছে সম্প্রচার আইন

হ্যাপি আক্তার : খসড়া চ‚ড়ান্ত হওয়ার চার বছর পর আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত সম্প্রচার আইন। আসছে বাজেট অধিবেশনেই বিলটি পাসের জন্য তোলা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তবে এতে তেমন পরিবর্তন থাকছে না বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, আরো সংশোধনীর প্রয়োজন থাকায় এখনই সংসদে আনা হচ্ছে না গণমাধ্যম কর্মী আইন। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ১২:০০।

২০১৪ সালে অনলাইন, টিভি চ্যানেল ও রেডিওর জন্য জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। নীতিমালার কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি উঠলে ২০১৬ সালে প্রস্তুত করা হয় সম্প্রচার আইনের খসড়া। অনলাইনে পাওয়া মতামত আমলে না নিয়েই ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবার খসড়ায় অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু দশম সংসদেই স¤প্রচার আইন পাসের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন। কিন্তু পারেননি।

এই আইনে রয়েছে, মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে জেল জরিমানার বিধান। টেলিভিশন, রেডিও এবং অনলাইন নিয়ন্ত্রণে সাত সদস্যের সম্প্রচার কমিশন গঠন করা হবে। কিন্তু এ নিয়ে আপত্তি এলে তা আবারও যাচাই-বাছাইয়ে পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। প্রায় আট মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর আইনমন্ত্রী জানান, এটি কিছু দিন আগেই তাদের কাছে পৌঁছেছে। অর্থাৎ নীতিমালা থেকে শুরু করে আইনের খসড়া প্রস্তুত হতে সময় লাগলো ছয় বছর।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, পিছনে কি হয়ে সে ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। তবে এটুকু জানি এই বাজেট অধিবেশনে সম্প্রচার আইন পাস হবে।

বিভিন্ন মহলের দাবীর পরও সম্প্রচার আইনের খসড়ায় তেমন কোনো পরিবর্তন আসছে না। তবে গণমাধ্যমকর্মী আইনকে যুগোপযোগি করতে আরো সময় লাগবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সংবাদ কর্মীকে শ্রমিক বলতে চাই না। কিন্তু শ্রম আইনে দেয়া প্রয়োজন অনেককেই। এই জটিলতা কাটিয়ে তোলার জন্য একটি সভা করা হবে।

গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়ায় রয়েছে, সংবাদকর্মীকে সপ্তাহে ৩৬ ঘণ্টা কাজ করানো যাবে। এছাড়া, কোনো সংবাদকর্মী তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। সম্পাদনা : এইচ এম জামাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত