প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা পদ্ধতি অবৈজ্ঞানিক দাবি দোকান মালিক সমিতির, অস্বীকার ভোক্তা অধিদপ্তরের

মঈন মোশাররফ : রমজান এলে ভেজাল বিরোধী অভিযান বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বেশি চোখে পড়ে। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। কিন্তু তাতেও কমছে না ভেজালের দৌরাত্ম্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত তদারকি। ডয়চে ভেলে

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দীন শনিবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, সরকারি সংস্থাাগুলো যে পদ্ধতিতে অভিযান পরিচালনা করছে সেটা বিজ্ঞানভিত্তিক নয়। তাই অভিযানে যে পণ্য ভেজাল বলে চিহ্নিত হয়েছে, সেটাকে আবার আদালত ছাড়পত্র দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ভেজাল বিরোধী অভিযান নিয়ে এতো বেশি নেতিবাচক প্রচারণা হয়, যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রপ্তানি বাণিজ্য। ফ্রিজে পড়ে থাকা কোনো খাদ্য উপকরণ একটু দূর্বল হতেই পারে। কিন্তু সেটা ভোক্তাদের কাছে দেয়া হয় না। অথচ সেই অজুহাতে প্রতিষ্ঠানটি পড়ছে জরিমানার মুখে, নষ্ট হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক সুনাম।

ব্যবসায়ীদের এই অভিযোগকে একেবারেই নাকচ করে দিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মাসুম আরিফিন। তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, উচ্চ প্রযুক্তির কিছু পণ্যের ঘাটতি হয়তো তাদের আছে, কিন্তু তাই বলে পদ্ধতিকে অবৈজ্ঞানিক বলা যাবে না।

তিনি আরো বলেন, ভেজাল বিরোধী অভিযান অব্যাহত আছে বলেই পরিস্থিতির ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ যদি পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে নতুন করে পরীক্ষা করার কোনো অর্থ নেই। তবে, কোনো খাদ্যপণ্যে ফরমালিন আছে কিনা, থাকলে কি পরিমাণ আছে–এসব বিষয়ে নিশ্চিত হতে পরীক্ষাগারের প্রয়োজন হয়।

তিনি বলেন, পণ্যের ওপর নির্ভর করে পরবর্তী পরীক্ষা নিরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ নাকচ করে তিনি আরো বলেন, প্রতিটি অভিযানে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে রাখা হয়। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই, একজন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্ধান্ত নেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। সম্পাদনায় : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত