প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিজেপি’র তুমুল জয়ে মুসলমানদের অবদান কম নয়

অমিত গোস্বামী : ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি’র তুমুল সাফল্যের পরে একটা প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে। তা হলো- এই সাফল্যের পেছনে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের অবদান কতটা?

হিন্দুত্ববাদে বিশ্বাসী বিজেপি চিরকালই মুসলমানদের তুমুল শত্রু হিসেবে পরিচিত। এই প্রচারের তীব্রতা কখনোই সামান্য নমনীয় হয়নি। ২০১৪ সালে বিজেপি প্রথম ক্ষমতায় আসার পরে ২০১৫ সালের ৪ মার্চ মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার গরু জবাইবিরোধী ‘মহারাষ্ট্র এনিমেল প্রিজারভেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট ১৯৯৫’ একটি পুরোন বিলের (১৯৭৬ সালে কংগ্রেস কৃত) সংশোধনী তাদের বিধানসভায় পাস করে। প্রচারিত হলো ভারতে গরু জবাই বন্ধ করার আইন এসে গেছে। সেই প্রচার উচ্চমাত্রা পেল যখন বিজেপি তাদের ‘গো-রক্ষা’ আন্দোলন ঘোষণা করল। গ্রাম্য বিবাদ থেকে এবং অহেতুক উন্মাদনা থেকে বিভিন্ন বছরে নিহত হলেন মোহাম্মদ আকলাখ, জুনেইদ খান ও আরো কয়েকজন। তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ল সুশীল সমাজ। বিজেপিকে ধর্মভিত্তিক দল বলে বর্ণনা করা হলো। মিডিয়া আরেক কাঠি সরেস। তারা বিজেপি’কে বলল – হিন্দুত্ববাদী দল।

বিজেপিওও আপত্তি করল না। তাদের বিভিন্ন কার্যকলাপে হিন্দুত্ববাদের জয়ধ্বজা ওড়ানো হল। কাজেই সনাতন ধর্মীয়রা, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধরা যারা নিজেদের হিন্দু বলে তাদের মধ্যে বিজেপি’র প্রভাব বাড়ল। বিজেপি হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত লাগতে পারে বলে বিভিন্ন রাজ্যে গোমাংস বিক্রয় সীমায়িত করে দিল। বিরোধীরা মুসলমানদের প্রতি তাদের একাত্মতা প্রদর্শনে কুণ্ঠিত হলো না। সে ইফতারে অংশ নিয়ে হোক, মাথা ঢেকে মোনাজাত করে হোক বা কথায় কথায় ‘ইনশা আল্লাহ’ বলেই হোক। এর মধ্যে বিজেপি সরকার আগে আনা ‘তিন তালাক’ বিল সংসদে পাস করে দিল। তাতে মুসলমান পুরুষ, পীর-হুজুরের দল কুপিত হলেও মুসলমান নারীরা সত্যি খুব খুশি হল।

ক্রমে গরমের মাঝামাঝি বাজনা বেজে উঠল- ‘ভোটের সময় এল কাছে’। ভোটের মুখে সবাই ধরে নিল মেরুকরন সম্পূর্ণ। বিজেপি মুসলমান ভোট পাবে না। মুসলমান ভোট বিরোধী জোটের পকেট ভোট। এখানেই বোধহয় ভুল করল সকল বিরোধী দল। কারণ, তারা মাথায় রাখল না যে বর্তমানে মানুষ অনেক বেশি সচেতন। বিজেপি মুসলমানদের একটা কথাই বোঝাল যে গত সত্তর বছরে তাদের কতটা উন্নতি সাধন করেছে কংগ্রেস বা অন্য দলেরা। তারা ব্যবহৃত হয়েছে ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে। ফলশ্রুতি কী হলো? রাহুল গান্ধী হেরে গেলেন আমেথি থেকে। আমেথির মুসলমান ভোটার ৩৩.৪ শতাংশ। মোট ভোটার ১৫ লাখ। (সূত্রঃ ডেকান ক্রনিকল – ২ এপ্রিল, ২০১৯)। অর্থাৎ ৪.৬৬ লাখ মুসলমান ভোটার। মোট ভোট পড়েছে ৯ লাখের কিছু বেশি। যদি ধরে নেয়া যায় প্রদত্ত ভোটের ৩৩.৪ শতাংশ মুসলমান ভোট তাহলে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ। রাহুল গান্ধী পেয়েছেন ৪.১৩ লাখ ভোট এবং স্মৃতি ইরানি ৪.৬৮ লাখ। পুরো মুসলমান ভোট রাহুল গান্ধীর পক্ষে গেলে রাহুল গান্ধী সহজেই জিতে যেতেন। কারণ কংগ্রেসের নিজস্ব গড় আমেথি। অর্থাৎ মুসলমান ভোটের একটা বড় অংশ বিজেপি’র স্মৃতি ইরানির পক্ষে গেছে। উত্তর প্রদেশে এরকম ২৬ টি আসন আছে যেখানে মুসলমানরা নির্ণায়ক গোষ্ঠী। বিজেপির প্রাপ্ত ৬১ টি আসনের মধ্যে এমন আসন ১৯ টি।

এবারে আসা যাক পশ্চিমবঙ্গে। কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি মালদা উত্তর এবং দক্ষিণ (প্রয়াত কিংবদন্তি কংগ্রেস নেতা গণি খান চৌধুরীর খাস তালুক)। দুটি আসনেই অনেকক্ষণ পর্যন্ত এগিয়ে ছিল বিজেপি। মালদহ উত্তরে জিতেছে বিজেপি এবং দক্ষিণে অতি সামান্য ব্যবধানে তারা হেরেছে – মাত্র ৬০০০ ভোটে। মালদহে ৫১.২৭ শতাংশ মুসলিম ভোটার। মুসলমান ভোটাররা বিজেপি’কে সমর্থন না করলে বিজেপি এখানে বিরাট ব্যবধানে হারত। একই চিত্র রায়গঞ্জে। জিতলেন বিজেপি’র দেবশ্রী চৌধুরী। এখানে মোট জনসংখ্যার ৪৯.৮ শতাংশ মুসলমান। স্বীকার করতেই হবে যে এর পেছনে মূল মাথা মুকুল রায়। রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৮৫০ থেকে ৯০০ মুসলমান প্রার্থীকে দাঁড় করিয়ে শাসকদলকে চিন্তায় ফেলেছিলেন মুকুল রায়। বিজেপির টিকিটে পদ্মফুল প্রতীকে ওই মুসলমান প্রার্থীদের বেশিরভাগই জিতে ফিরেছেন। নির্বাচন-সন্ত্রাসকে হারিয়ে প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০ মুসলমান প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এখানে মুসলমান জনগোষ্ঠীকে একটা বার্তা বিজেপি দিয়েছে যে এই দল মুসলমানদের বাদ দিয়ে চলবে না। লোকসভা নির্বাচনে মুসলমান নারী প্রার্থী দিতে দ্বিধা করেনি তারা। প্রতিটি সংখ্যালঘু পরিবারের দরজায় পৌঁছেছেন। বুঝিয়েছেন যে তারা এতদিন ব্যবহৃত হয়েছে। দিনদিন গরীব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান সম্প্রদায়। গুজরাট, রাজস্থান, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় শিক্ষা এবং অর্থনৈতিকভাবে পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ খেটে খাওয়া মুসলমানদের থেকে এগিয়ে রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা সাইকেল এবং ইমাম ও মোয়াজ্জেম ভাতায় কত দিন সন্তষ্ট থাকবেন? নাগরিকত্ব (সংশোধানী) বিল নিয়ে পার্টির অবস্থান পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান জনতাকে বুঝিয়েছে বিজেপি। তারা বলেছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাজ করবে। এই আইন ভারতীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে নয় । অন্যদিকে, তিন তালাক ইস্যুতে মুসলমান নারীদের সমর্থনও নিশ্চিত করেছে বিজেপি।

এখানেই মার খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সম্পূর্ণভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যারিশমার ওপরে নির্ভরশীল দল দক্ষিণবঙ্গ ও কলকাতার পার্শ্ববর্তী এলাকায় শক্ত সংগঠনের ভিতে দাঁড়িয়ে সংলগ্ন আসনগুলি দখলে রাখলেও উত্তরে তাদের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ভালরকমের ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। দুর্গাপূজাও যেমন ধর্ম, ঈদও তেমনই ধর্ম। দুটোই থেকেছে পাশাপাশি চিরকাল। কিন্তু মমতার গতবছর ২৮০০০ দূর্গাপূজা কমিটিকে দশ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া মোটেই ভালচোখে দেখেনি বাংলার মুসলিম সমাজ। লোকসভা ফলের নিরিখে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১২৯টিতে ‘জয়ী’ বিজেপি। তৃণমূল ১৫৮টিতে। আশ্চর্যের বিষয় এই যে বিজেপি’র পক্ষে যাওয়া আসনের একটি বড় অংশের নির্ণায়ক মুসলমান ভোটার। তৃণমূল দলে ‘নব্য’নেতৃত্বের দাপটে ‘আদি’রা কোণঠাসা। নেতৃত্বে দাপুটে মুসলিম মুখ নেই। তাই দলের অন্দরে ক্ষমতার ‘পুনর্বিন্যাস’ করে পুঞ্জিভূত ক্ষোভের নিরসন করা তৃণমূলের আশু কর্তব্য।

যে কোনো দল নির্বাচনের আগে মহিলা ও মুসলমান প্রার্থী নিয়ে এমনভাবে কথা বলেন যেন তাদের চেয়ে বেশি নারীদরদী ও মুসলমান দরদী ভারতে আর কেউ নেই। নারী প্রতিনিধিত্ব এই আলোচনার বিষয় নয়। কিন্তু মুসলমান প্রতিনিধিত্ব সম্পর্কে একটা তথ্য দেই। ভারতের লোকসভায় স্বাধীনতার পরে মুসলমান সদস্য কতজন ছিলেন? ১৯৫২ সালে ১১ জন (২%), ১৯৫৬ সালে ১৯ জন (৪%), ১৯৬২ সালে ২০ জন (৪%), ১৯৬৭ সালে ২৫ জন (৫%), ১৯৭১ সালে ২৮ জন (৬%), ১৯৭৭ সালে ৩৪ জন (৭%), ১৯৮০ সালে ৪৯ জন (১০%), ১৯৮৪ সালে ৪২ জন (৮%), ১৯৮৯ সালে ২৭ জন (৬%), ১৯৯১ সালে ২৫ জন (৫%), ১৯৯৬ সালে ২৯ জন (৬%), ১৯৯৮ সালে ২৮ জন (৬%), ১৯৯৯ সালে ৩১ জন (৬%), ২০০৪ সালে ৩৪ জন (৭%), ২০০৯ সালে ৩০ জন (৬%), ২০১৪ সালে ২৩ জন (৫%) এবং ২০১৯ সালে ২৭ জন (৬%)। অর্থাৎ ১৭ শতাংশ মুসলমান যে দেশে বাস করেন সে দেশে মুসলমান প্রতিনিধিত্ব সত্যি কম। বিজেপি ঘোষিত হিন্দুত্ববাদী দল হলেও তাদের ৬ জন প্রার্থী ছিল এবারের নির্বাচনে। সবাই হেরে গেছেন। তারমধ্যে ৩ জন জম্মু-কাশ্মীরে, ২ জন পশ্চিমবঙ্গে এবং ১ জন লাক্ষাদীপে। এই ক্ষেত্রে বিজেপি’র অবশ্যই ভাবা উচিত। কারণ শুধু মুসলমানদের উন্নয়ন করলেই হবে না। তাদের আইনসভায় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

বিজেপি সম্পর্কে মিডিয়ার ও বিরোধীদের প্রচারে বিভিন্ন দেশের মুসলমান সমাজের ধারনা এই যে বিজেপি ভারত থেকে মুসলমানদের উৎখাত করতে চায়। এ প্রসঙ্গে পরিস্কার ব্যাখ্যা ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে দিয়েছেন আর এসে এস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেছেন ‘ভারত ‘হিন্দু রাষ্ট্র’৷ কিন্তু তার মানে এই নয় যে, দেশে মুসলিমদের কোনো জায়গা নেই৷ যদি দেশে মুসলিমদের জায়গা না হয় তাহলে হিন্দুদেরও থাকার জায়গা নেই দেশে৷ বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য৷ দেশের এই নীতিতেই আমরা বিশ্বাসী. এই দেশ হিন্দুস্তান, সেই কারণেই দেশকে হিন্দু রাষ্ট্র বলা হয়ে থাকে৷’ কিন্তু একথা অনস্বীকার্য যে বিজেপি হিন্দুত্ববাদী দল। ১৯২৩ সালে বিনায়ক দামোদর সাভারকার এই শব্দটির জন্ম দেন। তার মতে হিন্দুত্ব হল এক রাস্ট্র, এক জাতি ও এক সংস্কৃতি। তার মত অনুযায়ী ভারতে উদ্ভুত চার ধর্মের মানুষ হিন্দু। তারা কারা? সনাতন ধর্মীয়, বৌদ্ধ, জৈন ও শিখ। ইসলাম যেহেতু বিদেশে সৃষ্ট ধর্ম তাই তাদের যুক্ত করা হয় নি। এই হিন্দু জাতীয়তাবাদের সাথে মুসলমানরা নিজেদের জড়াতে চান নি। তারাই ১৯৩০ সালে মুসলিম লীগের লাহোর কংগ্রেসে এনেছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব। তারাই চেয়েছিল মুসলমানদের জন্যে আলাদা রাস্ট্র এবং জিন্না’র জিদে বিভক্ত হয়েছিল ভারত। মুসলমানদের জন্যে আলাদা রাস্ট্র হয়েছিল পাকিস্তান। ক্রমাগত হিন্দু বিতারনের ফলে পাকিস্তানে বর্তমানে বাস করে ২% এর কম অর্থাৎ ৪০ লক্ষেরও কম হিন্দু ও বাংলাদেশে ৮% অর্থাৎ ১ কোটি ২৮ লাখ হিন্দু। কিন্তু ভারতে বাস করে ২২ কোটি ২৮ লক্ষ। ভারতে বসবাসকারী মুসলমানদের ক্ষেত্রে দুইটি ব্যাপার ঘটেছিল। তারা নিজের দেশ সম্পর্কে বিভ্রান্ত থাকায় ১৯৪৭ এর পরে যথেষ্ঠ গুটিয়ে ছিলো। তাই তাদের ইমাম ও নেতাদের তোষামোদ করা হয়েছিল নির্বাচনী দাবার গুটি হিসেবে এবং সাধারন মুসলমানদের উন্নয়ন করা হয় নি। মুখে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা হলেও সর্বক্ষেত্রে তাদের প্রতিনিধিত্ব ছিল তুলনায় অনেক কম।

কিন্তু সেই তোষামোদ চূড়ান্ত আকার নিল ’৮০র দশকে। বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারনে প্রচুর বাংলাদেশির ভারতে আগমন সত্ত্বেও সরকারি নীরবতা, শাহবানু মামলায় সরকারের ইমামদের কাছে নত হওয়া – এই সব তোষামোদের কারনে বিরক্ত হিন্দুত্ববাদী বেশ কিছু সংগঠন অযোদ্ধ্যায় বাবরি মসজিদে করসেবার ডাক দিল। সামিল করা হল নতুন দল বিজেপিকে। তাদের হাতে নিয়ন্ত্রণ ছিল না এই উন্মাদনার। ধ্বংস হল মসজিদ। দায়ী হল বিজেপি। তখনও তারা হিন্দুত্ববাদী নয়। ক্রমাগত আভ্যন্তরীন চাপে ১৯৯৮ সালের হিমাচল প্রদেশের পালামপুর সম্মেলনে লালকৃষ্ণ আদবানী, অটলবিহারী বাজপেয়ী, কমলাপতি ত্রিপাঠী, মুরলী মনোহর যোশীদের নেতৃত্বে ভারতীয় জনতা পার্টি ‘হিন্দুত্ব’কে তাদের রাজনৈতিক নীতি হিসেবে গ্রহন করল এবং রর্ণনা করল ‘সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ’ হিসেবে। কিন্তু ক্রমে ক্রমে বিজেপি এই ‘সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ’কে প্রথমে ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদ’ এবং পরে ‘ভারতীয় জাতীয়তাবাদ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে যা তাদের প্রতি ভারতীয় মুসলমানদের আকৃষ্ট করেছে এবং তারা ক্রমশই সমর্থনের হাত বাড়াচ্ছে বিজেপি’র দিকে।

বিজেপি’র বিজয়রথ তাই তীব্র গতিশীল। একথাও সত্যি যে বিশ্ব বীরভোগ্যা। বিজয়ীর সাথে সংযুক্ত হতে সবাই চায়। ভারতীয় মুসলমানরা আর আগের মত নড়বড়ে মানসিকতার নেই। নিজের ভাল তারাও বোঝে। কাজেই এবারের নির্বাচনে তাদের সমর্থনের ভঙ্গি প্রকাশ করছে যে তারা বিজেপি’র হিন্দু তথা ভারতীয় জাতীয়তাবাদের অঙ্গ। ভবিষ্যতে যে বিজেপি’র মুসলমান কর্মী সমর্থক সংখ্যা ক্রমেই বাড়বে তা নিয়ে আর কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
সূত্র : ডেইলি বাংলা দেশ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ