প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুশাসন আছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বললেন তথ্যমন্ত্রী

আসিফ হাসান কাজল: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘তিনি বলেছেন, দেশ নাকি দুর্নীতি-দুঃশাসন, অপশাসনে নিমজ্জিত হয়েছে। আমি বলতে চাই, যদি সুশাসন না থাকতো, দেশ আজ এতো এগিয়ে যেত না। বাংলাদেশ স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা এ বছর স্থির করেছি। সুশাসন আছে বলেই দেশ আজ উন্নত হয়েছে।’

‘আমরা জাতিগত উন্নয়ন চাই, সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে’ উল্লেখ করে দেশের স্বার্থে বিএনপিকে সমালোচনা বাদ দেয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০১৯’ উপলক্ষে মানস আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তামাকে হয় ফুসফুস ক্ষয়, সুস্বাস্থ্য কাম্য তামাক নয়।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের ভুলের সমালোচনা আপনারা অবশ্যই করবেন। কিন্তু গৎবাঁধা সমালোচনা করে, প্রতিদিন একই সাইরেন বাজিয়ে নিজেদের হাসির পাত্র করবেন না।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ধূমপান উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। সারা পৃথিবীতে এটা না থাকাই প্রয়োজন। এর কোনো ভালো দিক নেই। এটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। বিশ্বসহ আমাদের দেশেও ধূমপানের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যে বিধি-নিষেধগুলো সরকারের পক্ষ থেকে আরোপ করা হয়েছে এবং পাবলিক প্লেসে বা প্রকাশ্যে ধূমপান করলে যে শাস্তির বিধান করা হয়েছে, সেজন্যই এটি কমেছে। ধূমপান শূন্যের কোঠায় আনতে পারলে দেশের জন্য ভালো।’
‘আমার বয়স যখন সাত বছর, তখন আমার মা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আমার বাবা খুব ধূমপান করতেন। এ কারণে একদিন বাবা আমাকে ওয়াদা করিয়ে বলেন, যেন আমি কোনোদিন ধূমপান না করি। তাই আমার জীবনে একদিনও ধূমপান করিনি।’

হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব সমাজের তরুণদের উন্নয়নে জোর দেন। তিনি চান, সমাজের তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলার সঙ্গে থাকুক।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দেশকে মাদকের অভয়ারণ্য বানানো হয়েছিলো। তিনি মেধাবী তরুণদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন। গোলাম ফারুক অভির মতো মেধাবী অনেক তরুণও সন্ত্রাসী হয়েছিলেন।
মানস এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আলোচনায় অংশ নেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জাফর উদ্দিন, সংসদ সদস্য অভিনেতা ফারুক পাঠান এবং প্রমুখ।

সম্পাদনা: অশোকেশ রায়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত