প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের অবস্থান নিয়ে পুলিশ যা বললো

কেএম নাহিদ : বাংলাদেশে যখনই ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে কোন মামলা হয়েছে, তখনই অতি দ্রæততার সাথে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্রেফতারের জন্য পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কিংবা আদালতের নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করেনি পুলিশ। সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও এখনো তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন – সে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। বিবিসি

থানায় নুসরাত জাহানের বক্তব্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে সেটি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর তার অবস্থান নিয়ে কিছু গণমাধ্যম প্রশ্ন তুলেছে। গ্রেফতারি পরোয়ানার পর মোয়াজ্জেম হোসেন ‘গা-ঢাকা দিয়েছেন’ কি-না সে প্রশ্নও তুলেছে কিছু গণমাধ্যম।

মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলাটি দায়ের করেছিলেন আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন। আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পরও কেন মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না সে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মামলার বাদি ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন।

তিনি বলেন, মোয়াজ্জেম হোসেনের ধরতে দেরি হলে পাবলিক কনফিডেন্স কমে যাবে”। এমন প্রেক্ষাপটে পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র সোহেল রানা বিবিসি বাংলাকে জানিছেন, সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল। কিছুদিন আগে সাবেক এই ওসি সেখানে যোগ দিয়েছেন এবং তিনি এখনো সেখানেই সংযুক্ত আছেন বলে, রানা বিবিসি বাংলাকে বলেন। লিখিতভাবে জানিয়েছেন, “তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লিখিত ঠিকানায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কথা। সংশ্লিষ্ট ইউনিট গ্রেফতারি পরোয়ানা পেলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে”। অন্যদিকে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, একটি মামলায় হাজিরা দিতে মোয়াজ্জেম হোসেন গত সোমবার ঢাকা গেছেন। তবে কোন মামলায় সাক্ষী দিতে তিনি ঢাকা গেছেন সে বিষয় বিস্তারিত কিছু বলেননি রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি। “তিনি আমাদের এখানেই অ্যাটাচড। নিয়ম অনুযায়ী, কাজ শেষ করে ঢাকা থেকে তার এখানে ফিরে আসার কথা।”

আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন বলেন, যখন মামলাটি করা হয়েছিল তখন মোয়াজ্জেম হোসেন সোনাগাজী থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন। সেজন্য তদন্ত প্রতিবেদনে মোয়াজ্জেম হোসেনের ঠিকানা সোনাগাজী থানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এরপর তাকে রংপুর রেঞ্জ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। তাকে সাবেক ওসি হিসেবে চিন্তা করলে হবে না। তাকে একজন পলাতক আসামী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত