শিরোনাম
◈ শুধু ট্রাম্পই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন: জাপানের প্রধানমন্ত্রী ◈ ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের সাউথ পার্সে আর হামলা নয়: নেতানিয়াহু ◈ কাতারের এলএনজি স্থাপনায় ক্ষতি: বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশসহ তিন দেশ ◈ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের খবর সঠিক নয়: প্রেস উইং ◈ মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে আইএমও’র বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ ◈ ইসরায়েলের শোধনাগারে আগুন, ইরানের হামলায় জ্বালানি স্থাপনায় নতুন শঙ্কা ◈ হামলা-পাল্টা হামলায় কাঁপছে জ্বালানি বাজার, তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল ◈ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের এলএনজি উৎপাদনের ১৭% ধ্বংস, পুনরুদ্ধারে লাগবে ৫ বছর ◈ পাকিস্তানের দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি: মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা প্রধান ◈ প্রধানমন্ত্রীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিলেন নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০১৯, ০৯:৩৩ সকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০১৯, ০৯:৩৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বগুড়ার বেনারসি পল্লীর শ্রমিকেরা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে

জিএম মিজান বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার শেরপুরের বেনারসি পল্লীর শাড়ি তৈরির শ্রমিক, এক সময় যাদের হাতে তৈরি হতো বেনারসি শাড়ি এখন জীবন বাঁচানোর তাগিদে সেই হাতে তারা ভ্যান-রিকশা অটো সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে। আর এখনও যারা এ পেশা ধরে রেখেছেন তাদেরও দিন চলছে অনেক কষ্টে।পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে বৈধ অবৈধ আসা শাড়ি দখল করে নিয়েছে দেশী বেনারসি পল্লীর তাঁতে তৈরি শাড়ির বাজার।

বগুড়া শহর থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ি কলোনি গ্রামে বেনারসি শাড়ি তৈরির শ্রমিকদের বসতি এলাকা। তবে এখন আর বেনারসি পল্লীতে বেনারসি শাড়ি তৈরি হয় না। এ এলাকায় এখন জামদানি, কাতান, ধুপিয়ানসহ তাঁতে তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। তাও আবার সীমিত আকারে। দিন দিন চাহিদা কমে যাওয়ায় শাড়ি উৎপাদন কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক তাঁত। বেনারসি শাড়ি তৈরির শ্রমিক আব্দুল ওয়াহেদ। ঢাকার মিরপুরে বেনারসি পল্লীতে দীর্ঘ ১৫ বছর কাজ শিখে ১৯৯৫ সালে নিজের বাড়িতে তাঁত বসিয়ে ঘোলাগাড়ি গ্রামে প্রথম বেনারসি শাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেন তিনি। দিন দিন শাড়ির চাহিদা বাড়তে থাকলে ঘোলাগাড়ি কলোনি ও নদীয়াপাড়ায় নারী-পুরুষ সবাই তাঁতের কাজ শুরু করেন। কয়েক বছরের ব্যবধানে দুইপাড়ায় ৭০-৮০টি তাঁত বসানো হয়। শুরু হয় বেনারসি ছাড়াও জামদানি, কাতান, ধুপিয়ানসহ বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি তৈরির কাজ।

আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, বেনারসি পল্লীতে তৈরি শাড়ির চাহিদা এতটাই ছিল যে, ঢাকার বিভিন্ন শাড়ির শো-রুম থেকে আগাম টাকা দিয়ে অর্ডার দেয়া হতো। সারা বছরের পাশাপাশি রমজান মাসে চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। এ কারণে রমজান মাসে দিন রাত কাজ করত শ্রমিকেরা। তবে গত কয়েক বছর ধরে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে বেনারসি শাড়ি প্রবেশ করায় দেশি বেনারসির কদর কমে গেছে। আর ভারতীয় বেনারসির দাম কম হওয়ায় সেগুলো বাজারে চলে বেশি। সম্পাদনা : মুসবা তিন্নি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়