প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

মুসলিমদের অতিরিক্ত প্রাধাণ্য দেয়ায় হারতে হয়েছে মমতাকে: তসলিমা

ডেস্ক রিপোর্ট  : তিনি নির্বাসিত। ওপার বাংলা হোক কিংবা এপার বাংলা কেউ তাঁকে জায়গা দেয়নি। নিজের দেশ তাঁকে ঘরছাড়া করেছে। তবু তিনি ফিরতে চান। নিজের দেশে না হোক অন্য কোনও দেশে যেখানে অন্তত বাংলার ছাপ আছে। তিনি তসলিমা নাসরিন। আবারও সম্ভবত ফিরে আসার সেই আশাতেই মুখ খুললেন তিনি। তাঁর ইঙ্গিত সর্বধর্ম নয়, বেশি সংখ্যালঘু তোষণেই নির্বাচনে খারাপ অবস্থা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷

তসলিমার শুক্রবার রাতের ট্যুইট পুরোদস্তুর কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে। তসলিমার বক্তব্যে স্পষ্ট সংখ্যালঘু , সংখ্যাগুরু রাজনৈতিক মেরুকরণের কথা। তিনি মনে করছেন মেরুকরণের ধারা পশ্চিমবাংলায় চলছে। তিনি লিখেছেন, “আমরা এতদিনে জেনে গিয়েছি যে , শুধুমাত্র মুসলিমদের সন্তুষ্ট করে সবসময় নির্বাচনে জেতা যায় না। এই বিষয় এবং ধারনা যদি মুছে গিয়েই থাকে, তাহলে হয়তো আমাকে কলকাতা প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হতো না।”

এই লেখার অন্দরে তসলিমার প্রথম আক্রমণ যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই। কারণ একের পর এক ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সংখ্যালঘু ভোট পাওয়ার প্রচেষ্টার অভিযোগ এনেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সেদিক থেকে তসলিমা নিজে ইসলাম ধর্মাবলম্বী হলেও তিনি নিজেকে সব সময়েই সংখ্যালঘু – গুরু এই মেরুকরণের বাইরে রেখেছেন।

২৩ মে যখন নির্বাচনের ফল বেরিয়েছে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আসন সংখ্যা ২০১৪-র ৩৪ থেকে কমে ২২টিতে এসে ঠেকেছে। তসলিমা যেন তাঁর ওই পোস্টে বলতে চেয়েছেন যে, মুসলিমদের এতো সুযোগ সুবিধা দিয়েও মানুষের ভালোবাসা পাওয়া গেল না। ভোট পাওয়া গেল না। সবধর্মের মানুষকে সমান চোখে দেখা হয়নি বলেই তৃণমূলের এই ভরাডুবি হয়েছে বলে ইঙ্গিত তসলিমার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যেকটি নির্বাচনী সভায় গিয়ে সর্বধর্মের প্রতি তাঁর সহাবস্থানের কথা বলেছেন কিন্তু তসলিমা মনে করছেন আদৌ সেটা হয়নি। তাঁর দাবি, সর্বধর্ম এবং সেক্যুলার ভাবনা যদি বিরাজ করত এই রাজ্যে তাহলে তাঁকে তাঁর প্রিয় শহর কলকাতায় প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হতো না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত