প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চলতি অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৭২ প্রকল্পে অগ্রগতি ৫৫ ভাগ: বরাদ্দ ১৮২৬ কোটি টাকার বিপরীতে অবমুক্ত ১৩৫৭ কোটি টাকা

মতিনুজ্জামান মিটু : মাঠ পর্যায়ে কৃষকের মঙ্গল, টেকসই প্রভাব, প্রত্যাশা ও ফলাফল বিবেচনা করে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে বললেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। মঙ্গলবার (২৮মে) কৃষিমন্ত্রীর সভাকক্ষে মাসিক এডিবি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরে এটাই তার প্রথম সভা। মন্ত্রী বলেন, একটি কৃষি প্রকল্প একটি চিন্তা অনেক স্বপ্ন। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ অগ্রাধিকার ভিত্তিক খাত হিসেবে বিবেচনা করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সততার সাথে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। ডালের উৎপাদন ভালো হয়েছে, বিশেষ করে পটুয়াখালী জেলায় মোট জাতীয় উৎপাদনের তেলের ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার জন্য সারা দেশ ব্যাপী বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন কৃষিমন্ত্রী । এছাড়া প্রকল্প গ্রহণের ফলে কি কি পরিবর্তন এসছে এবং উৎপাদনের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরতে হবে। যে কারনে প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে তা কতটুকু পূরণ হয়েছে এবং আরও কি কি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত তা উল্লেখ করতে হবে।

উল্লেখ্য, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও ৭২ টি প্রকল্পে ১ হাজার ৮২৬ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ১ হাজার ৩৫৭ দশমিক ৫১ কোটি টাকা অবমুক্ত করা হয়েছে। বৃহৎ বরাদ্দের ৩৩ টি প্রকল্পের অনুকূলে মোট ১হাজার ৪৫০ দশমিক ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এপ্রিল/২০১৯ পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ৯০৬ দশমিক ৫২ কোটি টাকা। এপ্রিল/২০১৯ পর্যন্ত প্রকল্পের মোট জাতীয় গড় অগ্রগতি ৫৫ শতাংশ। নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।

বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৪শ কেজি কেসুনাট বীজ আমদানির জন্য ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও ভারত এসব দেশ থেকে ভালো বীজ সংগ্রহের কথা বলেন মন্ত্রী। সরাসরি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন কোন প্রকল্প যেন গ্রহণ করা না হয় বললেন কৃষি মন্ত্রী।

কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান সভার সঞ্চলনা করেন। সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকগণ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত