প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৫ মন্ত্রী পেতে পারে পশ্চিমবঙ্গ, কিন্তু আলোচনায় অন্তত ১১ নাম

জাবের হোসেন : উত্তরপ্রদেশকে বাদ দিলে যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপি, তার নাম পশ্চিমবঙ্গ। খাতায়-কলমে টার্গেট ছিল ২৩ হয়েছে ১৮। এ বার তাই পশ্চিমবঙ্গে পুরস্কৃত করার তোড়জোড়ও শুরু। পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্তত পাঁচ জন ঠাঁই পাচ্ছেন মোদীর মন্ত্রিসভায়, খবর বিজেপি সূত্রের। আনন্দবাজার

রাজ্য বিজেপির একটি অংশ বলছে, বাংলা যদি পাঁচ মন্ত্রী পায়, তা হলে পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন তাঁদের মধ্যে যে কোনও এক জন। বাকিরা হবেন প্রতিমন্ত্রী। আর পূর্ণমন্ত্রী যদি দুজনকে করা হয়, তা হলে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা কমবে, তিন জনের বদলে দু’জনকে প্রতিমন্ত্রী করা হবে। সে ক্ষেত্রে এ পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট মন্ত্রীর সংখ্যা পাঁচ থেকে কমে চার হয়ে যাবে।
তবে আর এক রকম জল্পনাও রয়েছে। উত্তরপ্রদেশকে বাদ দিলে যে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপি, তার নাম পশ্চিমবঙ্গ। এই অভূতপূর্ব উত্থানের কথা মাথায় রেখে মন্ত্রিত্ব বণ্টনের হিসেব বাংলার ক্ষেত্রে একটু শিথিল করা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এ পশ্চিমবঙ্গ থেকে দু’জন পূর্ণমন্ত্রী ও তিন জন প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন।

পূর্ণমন্ত্রিত্বের তালিকায় যে সাংসদের নাম সর্বাগ্রে শোনা যাচ্ছে, তিনি বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলে গত বার তাঁর জয়ের ব্যবধান ছিল ৭০ হাজারের সামান্য বেশি। এ বার তা প্রায় ২ লক্ষ ছুঁয়ে ফেলেছে। বিদায়ী ক্যাবিনেটে প্রতিমন্ত্রী থাকা বাবুলকে তাই এ বার প্রোমোশন দেওয়ার কথা ভাবছেন বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। বাবুল নিজে অবশ্য এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। এ বার কি পূর্ণমন্ত্রিত্ব মিলছে? প্রশ্ন শুনে হেসেছেন আসানসোলের সাংসদ এবং বলেছেন, কোনও মন্তব্য নয়।
পূর্ণমন্ত্রিত্বের তালিকায় স্বাভাবিক ভাবেই উঠে আসছে আরও দুটো নাম, যাঁদের মধ্যে যে কোনও এক জনের ভাগ্যে শিকে ছিড়বে। তারা হলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং দলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য তথা এ রাজ্যে বিজেপির সবচেয়ে হেভিওয়েট মুখগুলির অন্যতম মুকুল রায়।

রাজ্য বিজেপির সভাপতি হওয়ার আগে দিলীপ সে ভাবে পরিচিত নাম ছিলেন না ঠিকই। কিন্তু সভাপতি হওয়ার পর থেকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হু হু করে বেড়েছে তার জনপ্রিয়তা। মুকুল রায়ও কিন্তু খুব অল্প দিনেই এ রাজ্যের বিজেপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। প্রশ্ন হল, দুই হেভিওয়েটের মধ্যে কাকে বেছে নেবেন বিজেপি নেতৃত্ব?
দিলীপ ঘোষ যদি রাজ্য সভাপতি হিসেবে কাজ করতেই বেশি আগ্রহী হন, তা হলে মুকুল রায়কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত নিতে আর খুব একটা ভাবতে হবে না বিজেপি নেতৃত্বকে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সর্বাগ্রে শোনা যাচ্ছে এস এস অহলুওয়ালিয়ার নাম। কিন্তু অহলুওয়ালিয়া মন্ত্রী হলে একই জেলায় চলে যাচ্ছে দুই মন্ত্রিত্ব। কারণ, যে পশ্চিম বর্ধমান জেলা থেকে অহলুওয়ালিয়া এ বার সংসদে গেলেন, বাবুল সুপ্রিয়ও সেই জেলারই সাংসদ।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শোনা যাচ্ছে যার নাম, তিনি জন বার্লার নাম। আদিবাসী এবং চা শ্রমিকদের মধ্যে অত্যন্ত পরিচিত নাম জন। মালদহে জয়ী খগেন মুর্মুর নামও উঠে আসছে মন্ত্রিত্বের সম্ভাবনা সংক্রান্ত আলোচনায়। মন্ত্রিত্বে জঙ্গল মহলের কোনও প্রতিনিধিকেও রাখতে চাইছে বিজেপি। সে ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য সুভাষ সরকারের নাম। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোনও সংখ্যালঘু প্রতিনিধিকে মোদী মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলে খবর। চমকে দিয়ে উঠে আসছে মাফুজা খাতুনের নাম। সম্পাদনা- কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ