প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যারা নুরুল হক নূরকে ‘ধাওয়া’ দেয়, ‘মারে’ তারা কার এজেন্ট?

শেখ আদনান ফাহাদ : বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের ক্ষমতায় আর বিএনপি-জামায়াত গোষ্ঠীর বাসার কোনো সুযোগ নেই। দেশের মানুষ উন্নয়ন অনুভব করছে। ক্ষমতা, অধিকার ও সম্মানের ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকলেও সামগ্রিকভাবে যে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে সেটি দৃশ্যমান। বিএনপি-জামায়াত একা নয়; এদের সাথে আছে ইহুদি-নিয়ন্ত্রিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; যেমনটা ছিলো ১৯৭১ সালে। এ অবস্থায় বুদ্ধিমান আওয়ামী বিরোধীরা এমন একজন মানুষ খুঁজছে যিনি পুরো দেশের মধ্যে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন এবং দরকারের সময় সরকারের বিরুদ্ধে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারবেন। সমস্ত আন্দোলন সংগ্রামে যেহেতু তরুণরাই নেতৃত্ব দেয়, সেক্ষেত্রে এই আওয়ামী বিরোধীদের প্রথম পছন্দ হবে একজন ছাত্র নেতা।

ডাকসু ভিপি নুরুল হক ‘সাধারণ’ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বেশি জনপ্রিয়। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে সে ডাকসু ভিপি হয়েছে। এর জন্য ছাত্রলীগ এর একটা অংশ নিজে অনেক ভূমিকা রেখেছে। নুরুল হককে নানা সময়ে মেরে, ধাওয়া দিয়ে তাকে জনপ্রিয় করেছে ছাত্রলীগের একটা অংশ। তাকে ‘শিবির’ বলে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছে। অথচ নুরুল হক ছাত্রলীগেরই নেতা ছিলেন। নুরুল হক শিবির কিনা, সেটি ভালো বলতে পারবে সেইসব ছাত্রলীগ নেতা যারা তাকে পোস্ট দিয়েছিলো। এখন নুরুল হক মার্কিন এজেন্ট কিনা, সেটিও আমি নিশ্চিত নই। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চাইবে নুরুল হককে দিয়ে পুরো দেশে একটা আওয়ামী বিরোধী তরুণ প্লাটফর্ম দাঁড় করাতে। এই সুযোগ ছাত্রলীগের একটা অংশ করে দিচ্ছে।

বগুড়া ইফতার পার্টিতে নুরুল হক গিয়েছে। ইফতার করে, তারাবি পড়ে, সেহরি খেয়ে নুরুল আরও অনেক কিছু করলেও এতো মিডিয়া কাভারেজ পেতো না, যতো না সে ঘটনার পরে পেয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো, যারা নুরুল হককে ‘ধাওয়া’ দেয়, ‘মারে’ তারা আসলে কাদের এজেন্ট? ‘মার’ খেয়ে খেয়ে, অজ্ঞান হয়ে অথবা অজ্ঞান হওয়ার ‘অভিনয়’ করে নুরুল ইতোমধ্যেই ডাকসুর ভিপি হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ছাত্রদল, শিবির, বাম, পোস্ট এবং চাকরি বঞ্চিত ছাত্রলীগের একটা অংশ, তথাকথিত রাজনীতি বিমুখ ছাত্রছাত্রী যথাসময়ে সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য হবে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেশের মধ্যে ভয়ানক অরাজকতা সৃষ্টির প্রয়াস চালাবে। তাই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রকৃত শুভাকাক্সক্ষীদের উচিত হবে, কৌশলে কাজ করা। গায়ের জোরে নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক আধিপত্য বিস্তারের কৌশল চর্চা করতে হবে। ফেসবুক থেকে

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত