শিরোনাম
◈ ‌তেরান‌কে এবার ইংল‌্যা‌ন্ডের হুম‌কি, কো‌নো অজুহাত ছাড়া পরমাণু কর্মসূচি বা‌তিল কর‌তে হ‌বে ◈ বাংলাদেশে গিয়ে আসামের মিঞাঁ মুসলমানদের ভোট দিতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ◈ হা‌রিস রউফ পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে না থাকায় বিস্মিত অ‌স্ট্রেলিয়ার ক্লার্ক ও ফিঞ্চ ◈ ভোটারদের মন জয় করতে প্রতিশ্রুতির প্রতিযোগিতা, বক্তব্যে উত্তাপ ◈ সাবেক ৩০ এমপির গাড়ি নিয়ে বিপাকে পড়ল এনবিআর ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে সরকারের মেয়াদ বাড়বে এমন তথ্য ভিত্তিহীন: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ◈ বয়কট গুঞ্জনে পাকিস্তানের ঘুম হারাম করে দিলো আইসল্যান্ড ◈ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমান, আ.লীগ ও ভারত প্রশ্নে যা বললেন ◈ যুক্তরাজ্যে লরিতে লুকিয়ে ২৩ বাংলাদেশিকে পাচারের চেষ্টা, আটক ৫ ◈ আ.লীগ থাকলে জামায়াত থাকবে, জামায়াত থাকলে আ.লীগ থাকবে : মাহফুজ

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০১৯, ০৯:৫৫ সকাল
আপডেট : ২৭ মে, ২০১৯, ০৯:৫৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ ৫বছর বৃদ্ধি, কার্যকর থাকবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত

ডেস্ক রিপোর্ট: আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন-২০১৯ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২৭ মে) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে তার তেজগাঁয়ের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ বিষয়ে ব্রিফিং করেন সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

তিনি জানান, গত ২০০২ সালে এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়। এর মেয়াদ ছিল ১৭ বছর। সেই ১৭ বছরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল শেষ হয়। মেয়াদ বাড়ানোর কারণে এই আইনের মেয়াদ হবে ২২ বছর। আাগমী ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল এর মেয়াদ মেষ হবে।

আইনের মেয়াদ বাড়ানোর কারণ হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চাঞ্চল্যকর কিছু মামলা এই আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। তাই এই আইনের কার্যকারিতা রয়েছে। ফলে মন্ত্রিপরিষদ মনে করেছে আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো প্রয়োজন।

আইনটির সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, আইনের মূল অংশে কোনও কিছু সংশোধন হয়নি। আইনে বলা হয়েছে এর মেয়াদকাল ১৭ বছর হবে। সংশোধনে ১৭-এর স্থলে কেবল ২২ বছর লিখা হয়েছে। ফলে এর কার্যকারিতা থাকছে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

এছাড়া বৈঠকে কাস্টমস আইন-২০১৯ এর খসড়ার চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ বিষয়ে সচিব জানান, আইনটি পাসের জন্য ২০১৮ সালে দশম জাতীয় সংসদে পাঠানো হয়েছিল। তবে সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এটি আর সংসদে উপস্থাপন করা যায়নি। ফলে সেই আইনটি অবিকল ও হুবহু কোনও পরিবর্তন ছাড়াই আবারও মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। পরে মন্ত্রিসভা এর অনুমোদন দেয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়