শিরোনাম
◈ সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জামিন দিল হাইকোর্ট ◈ এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি রাখাসহ ১১ নির্দেশনা সরকারের ◈ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি: মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে থাকবেন ৪ জন ◈ বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ হাইকোর্টের ◈ স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান ◈ এক টাকাও বেশি নিলে ব্যবস্থা: ঈদে ভাড়া বাড়ালে রুট পারমিট বাতিল: শেখ রবিউল আলম ◈ ইরানে মার্কিন হামলায় সমর্থন নয়, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি নাকচ করল স্পেন ◈ ‘নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে’র রাজসাক্ষী রিজওয়ানা, জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জামায়াতের (ভিডিও) ◈ ৯ উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০১৯, ০৯:৫৫ সকাল
আপডেট : ২৭ মে, ২০১৯, ০৯:৫৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ ৫বছর বৃদ্ধি, কার্যকর থাকবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত

ডেস্ক রিপোর্ট: আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন-২০১৯ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২৭ মে) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে তার তেজগাঁয়ের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ বিষয়ে ব্রিফিং করেন সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

তিনি জানান, গত ২০০২ সালে এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়। এর মেয়াদ ছিল ১৭ বছর। সেই ১৭ বছরের মেয়াদ ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল শেষ হয়। মেয়াদ বাড়ানোর কারণে এই আইনের মেয়াদ হবে ২২ বছর। আাগমী ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল এর মেয়াদ মেষ হবে।

আইনের মেয়াদ বাড়ানোর কারণ হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চাঞ্চল্যকর কিছু মামলা এই আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। তাই এই আইনের কার্যকারিতা রয়েছে। ফলে মন্ত্রিপরিষদ মনে করেছে আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো প্রয়োজন।

আইনটির সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, আইনের মূল অংশে কোনও কিছু সংশোধন হয়নি। আইনে বলা হয়েছে এর মেয়াদকাল ১৭ বছর হবে। সংশোধনে ১৭-এর স্থলে কেবল ২২ বছর লিখা হয়েছে। ফলে এর কার্যকারিতা থাকছে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

এছাড়া বৈঠকে কাস্টমস আইন-২০১৯ এর খসড়ার চূড়ান্ত ও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ বিষয়ে সচিব জানান, আইনটি পাসের জন্য ২০১৮ সালে দশম জাতীয় সংসদে পাঠানো হয়েছিল। তবে সংসদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এটি আর সংসদে উপস্থাপন করা যায়নি। ফলে সেই আইনটি অবিকল ও হুবহু কোনও পরিবর্তন ছাড়াই আবারও মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। পরে মন্ত্রিসভা এর অনুমোদন দেয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়