প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দিনাজপুরে ইটভাটার ধোঁয়ায় নষ্ট কয়েকশ একর ফসল, ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় হুমকি প্রদর্শন

মঈন মোশাররফ : দিনাজপুরে ইট ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় কয়েকশ একর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। দুটি উপজেলায় ৪টি ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ফসল নষ্টের পাশাপাশি মারা গেছে কয়েকশো মুরগি। কৃষকদের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণসহ ইটভাটা সরিয়ে নেয়ার দাবি করায় তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অবশ্য প্রশাসন বলছে, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। সময়

দিনাজপুরের খানসামা ও বীরগঞ্জ উপজেলায় ইট ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় কয়েকশ একর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। খানসামা উপজেলার টু স্টার ও এসএইচএস এবং বীরগঞ্জ উপজেলার আরডিএফ ও এসবিএম ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় সম্পূর্ণরুপে ঝলসে গেছে ধান। মারা গেছে তিনশো মুরগি। ধান পাকার আগ মুহূর্তে ফসল নষ্টে দিশেহারা কৃষক। অন্যের জমি বর্গা নেয়া এসব জমির ধান নষ্টে বিপর্যস্ত কৃষক এখন তাকিয়ে আছে এই ক্ষতিপূরণের আশায়। এ অবস্থায় ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি এসব ইটভাটা বন্ধেরও দাবি জানিয়েছে কৃষকেরা।

খানসামা উপজেলায় পাশাপাশি থাকা টু স্টার এবং এসএইচএস নামক দুটি ইটভাটা কর্তৃপক্ষ তাদের কারণে ফসল নষ্টের কথা কথা স্বীকার করলেও এ জন্য তারা পরস্পরকে দোষারোপ করছে। একই সাথে তারা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে ভাটা চালাচ্ছে বলে দাবি।

এদিকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা ধান ক্ষেত পরিদর্শন করে নিশ্চিত হয়েছেন ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ার কারণেই ফসলের ক্ষতি হয়েছে। শুধু খানসামাতেই প্রায় দুশ একর ধান নষ্টের কথা জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।
খানসামা উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, ভাটার গ্যাস ছড়ানোর কারণেই কৃষকরা ক্ষতির শিকার হয়েছেন। ইট ভাটা আইনের শর্তগুলো কতটা মানছে তা খতিয়ে দেখছেন বলে জানালেন, উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা।

খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ মাহবুব-উল ইসলাম বলেন, ইটভাটার লাইসেন্স দেয়ার সময় যেসব শর্ত দেয়া হয়েছিলো সেসব শর্ত ঠিকমত পালন করা হচ্ছে কিনা বা শর্তের বরখেলাপ করা হচ্ছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবো।

জেলায় ইট ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঝলসে গেছে সাড়ে ৫ শ একর জমির ফসল। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৩শ জন। সম্পাদনা কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত