প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্রেতার অতিরিক্ত চাপে অনলাইনে রেলটিকিট বিক্রিতে বিঘ্ন হয়েছে, বললেন রেলমন্ত্রী

কেএম নাহিদ : আসন্ন ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের জন্য ট্রেনের টিকিট ৫০ শতাংশ অনলাইনে এবং মোবাইল এ্যাপস এর মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করা হলেও সেটি ক্রেতাদের তেমন কেনো সুবিধা দিতে পারনি। প্রতিদিন অনলাইনে ১০ হাজারেরও টিকিট কেনা যাবে বললেও অনেক ক্রেতা মোবাইল এ্যাপসে চেষ্টা করেও ঢুকতে পারেনি। তবে রেল মন্ত্রনালয় বলছে, লক্ষ লক্ষ ক্রেতার চাপে অনলাইনে এ সেবা দ্রুত কাজ করছে না। এ পরিপেক্ষিতে রেলমন্ত্রনালয় কী করছে? সোমাবার বিবিসি সঙ্গে সাক্ষাতকারে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, আমরা অনেক অভিযোগ পেয়েছি অনলাইনের ব্যাপারে সেটা আমরা দেখছি। অনলাইনে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ হাজার টিকিট দিতে পারি। সেখানে চাহিদা প্রায় ৫ লক্ষ। এক সঙ্গে অনলাইনে এতো ক্রেতা হিট করছে বলে, যে সংস্থাকে নিয়োগ করেছি, তাদের ক্যাপাসিটি সেভাবে বিল্ডআপ করতে পারেনি।

মন্ত্রী বলেন, সেবা প্রদানকারী সংস্থা জানিয়েছে অধিক ক্রেতার চাপে অনলাইন কিছুটা সমস্যা করছে। যেহেতু এই সিষ্টেম আমরা প্রথমবার চালু করেছি একটু সমস্যা প্রথমে হতে পারে। কাদের গাফিলতির জন্য গ্রাহক সেবা পায়নি, সেটা দেখা হচ্ছে। সেবা প্রদানকারী সংস্থাটির ক্রটি আছে কী না তা দেখবো। ঈদের পরে আমরা আমাদের লোকদের নিয়ে বসবো। তবে গ্রাহকের চাপেও যেনো সঠিক সেবা পাওয়া যায়, তার জন্য সংস্থাটির ক্যাপাসিটি বাড়ানো জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। অনলাইনে যে টিকিটি বিক্রি হবে না, তা লাইনে দাঁড়িলে পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, সব লোককে আমরা ট্রেনে নিতে পারবো না। অনেকে বিকল্প পন্থায় বাড়ি যাবে, বাসে, নিজস্ব গাড়ি আছে। সবাইকে রেলে নেয়া সম্ভব নয়, আমাদের আসন সংখ্যা সীমিত। যোগাযোগের ১০ শতাংশ আমরা রেলের মাধ্যমে দিচ্ছি, ৮০ শতাংশ বাস দিচ্ছে। বিগত সরকার রেলকে একটি ধ্বসের প্রান্তে নিয়ে গেছে। গত ১০ বছরে, আমরা রেলকে একটা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান করার লক্ষে কাজ করছি। আস্তে আস্তে চেস্টা করছি। রেলকে স্বাভাবিক পর্যায় আনতে তবে সময় লাগবে। সম্পাদনায়: সালেহ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত