প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

পশ্চিমবঙ্গে দল সামলাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হচ্ছে না দিলীপ ঘোষকে, ৪ জনকে মন্ত্রী করা নিয়ে জল্পনা

জাবের হোসেন : লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের কা-ারি দিলীপ ঘোষ কেনদ্রীয় মন্ত্রী হচ্ছেন না। এই এমপিকে আপাতত দলের কাজের জন্য রেখে দেওয়া হচ্ছে। ২০১৫ সালে বিজেপির সভাপতি পদে বসেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিন বছরের মেয়াদে সভাপতি সর্বোচ্চ দুদফার এই পদে থাকতে পারেন। শোনা যাচ্ছে ২০২১ পর্যন্ত সভাপতির পদে থাকার ক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষের কোনও সমস্যা হবে না। বর্তমান

ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে থেকে কে কে মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রামলাল জানিয়ে দিয়েছেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার ১৮ জন এমপির প্রত্যেককেই তার কাছে বাধ্যতামূলকভাবে বায়োডেটা জমা দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের ১৮ জন দলীয় এমপির সঙ্গে এদিন দিল্লির এক পাচতারা হোটেলে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিজেপির শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতারা।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির যে ১৮ জন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তার মধ্যে বাবুল সুপ্রিয় এবং সুরিন্দরসিং আলুওয়ালিয়া ছাড়া বাকি সকলেই একেবারে নতুন মুখ। এদের মধ্যে বাবুল সুপ্রিয় এবং সুরিন্দরসিং আলুওয়ালিয়া মোদি মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। বিজেপি সূত্রে জানা যায়, উল্লিখিত দুজনের মধ্যে অন্তত একজনের ফের মোদির মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ প্রায় নিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্তত চারজন নতুন এমপির মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা।

নাম এসেছে রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নাম। অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারে এসে অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, জিততে পারলে মন্ত্রী করা হবে রায়গঞ্জ লোকসভা আসনের সংশ্লিষ্ট দলীয় প্রার্থীকেও। যার জেরে জল্পনা রয়েছে রায়গঞ্জের জয়ী প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরিকে নিয়েও। উত্তরবঙ্গ থেকে জয়ী এমপিদের মধ্যে কোনও একজনকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করার সম্ভবনা প্রবল। তবে সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে জলপাইগুড়ির এমপি জয়ন্ত রায়ের নাম নিয়েও চর্চা চলছে দিল্লির বৈঠকে । সম্পাদনা- কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত