প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৫ বছরে বিজেপি সরকারের উন্নয়ন ফিরিস্তি প্রচারে খরচ ৫ হাজার কোটি টাকা

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের গ্রেটার নয়ডার সমাজকর্মী তথ্য জানার অধিকার আইনে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মোদী সরকারের উন্নয়ন প্রচারের খরচ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, মোদী সরকার খবরের কাগজে গত ৫ বছরে ১,৬৯৮ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দিয়েছে। ইলেকট্রনিক মিডিয়া হিসাবে কমিউনিটি রেডিও, দূরদর্শন, ইন্টারনেট, টিভি ও এসএমএস করে খরচ করা হয়েছে ১,৬৫৬ কোটি টাকা। আউটডোর বিজ্ঞাপন হিসাবে হোর্ডিং, পোস্টার, ব্যানার, বুকলেট, ক্যালেন্ডারে খরচ হয়েছে ৩৯৯ কোটি টাকা। ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০১৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিজেপি সরকার এই বিপুল অর্থ খরচ করে। আরটিআইয়ের তথ্যে স্পষ্ট আত্মপ্রচারে কেন্দ্র ৩,৭৫৫ কোটি খরচ করলেও বেশ কিছু মন্ত্রণালয় চেয়েও অর্থ পায়নি। এমন কিছু মন্ত্রণালয় আছে যাদের বার্ষিক বাজেট এই অর্থের থেকে অনেক কম। দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য মোদি সরকার অনেক কথা বললেও গত কয়েক বছরে এই কর্মসূচিতে মাত্র ৫৬ কোটি বরাদ্দ হয়। প্রচারের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদিকে তুলে ধরাই যে কেন্দ্রের লক্ষ্য তা দেখা যায় স্পষ্ট খরচের বহরে। দেখা যাচ্ছে শুধু প্রধানমন্ত্রী মোদীর ছবি বা কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রচারে খরচ হয়েছে ১১০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে অন্যতম ‘মন কি বাত’। বেতারে মোদী এই ভাষণের শুধু এক মাসে বিজ্ঞাপনের খরচ ৮.৫ কোটি টাকা।

অথচ বছর দুয়েক আগে আম আদমি পার্টির বিজ্ঞাপন নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছিল বিজেপি সরকার। আরটিআই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর মোদী সরকার বলছে মানুষের জন্য যে কাজ তারা করেছে, তা জানাতেই এই ব্যবস্থা। বিরোধীদের বক্তব্য, সাধারণের করের অর্থ থেকে মণ মণ ঘি ঢেলেছে বিজেপি। মানুষই এর জবাব দেবে। তবে নির্বাচনে বিরোধীদের ধুলিস্যাৎ করে মোদীকেই বেছে নিয়েছে ভারতের ভোটাররা।

বাংলায় প্রবাদ রয়েছে ‘ঢাকের দায়ে মনসা বিকিয়ে যাওয়ার জোগাড়’। বাংলা প্রবাদটি যেন ভারতীয় রাজনীতির সারমর্ম। ভারতীয় অর্থনীতির গ্রাফ উর্ধ্বমুখী থাকলেও শিক্ষিত বেকারের জন্য কর্মসংস্থান কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াই ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে পরিসংখ্যান বিজেটি সরকারের বিফলতার দিকেই আঙুল তুলছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত