প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিরসরাইতে এতিম শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্যান দিলেন ওসি

মিরসরাই প্রতিনিধি : বিগত বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছর গ্রামেও দেখা দেয় গরমের তীব্র যন্ত্রনা। গরমের তীব্র ভয়াবহতায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। নানা বয়সী মানুষের সাথে সাথে শিশুরা মৌসুমী ভাইরাস জ্বরসহ নানা রোগে ভূগছে। মিরসরাইয়ের মস্তাননগর জামেয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শাহ গোলাম রহমান (রহঃ) শিশু সদনের ৭২জন এতিম শিশু শিক্ষার্থীরা অপর্যাপ্ত শ্রেণি কক্ষ, অপ্রতুল আসবাব পত্র, শ্রেণি কক্ষে ফ্যানের ব্যবস্থা না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিল। ভালোভাবে মনোনিবেশ করতে পারছিল না ক্লাসের পড়াশোনায়। ওই এতিমখানায় ৭২ জন এতিম ও দুস্থ্য শিশু শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। ২ টি ভবনের ৫ টি রুমে তাদের পড়াশোনা ও থাকাখাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু কোন কক্ষেই ছিল না ফ্যানের ব্যবস্থা। বিষয়টি জানতে পারেন জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইফতেখার হাসান পিপিএম (বার)। তিনি গত শনিবার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এতিমদের সাথে এক সাথে বসে ইফতারের আয়োজন করেন। এবং ১০ টি সিলিং ফ্যানের ব্যবস্থা করে দেন। ওসির এই ব্যতিক্রমী মানবিকতায় খুশি হন এতিম শিশুরা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

জোরারগঞ্জ থানার আয়োজনে ফ্যান বিতরণ ও এতিমদের নিয়ে ইফতার উপলক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা এতিমখানার পরিচালক গোলাম সরওয়ারের সভাপতিত্বে ও মেজবাহ উদ্দিনের উপস্থাপনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন জোরারগঞ্জ থানার ওসি ইফতেখার হাসান, মস্তাননগর শাহ কালা (রহঃ) প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেজাউল করিম মাষ্টার প্রমুখ।

এতিম শিশু শিক্ষার্থী ফয়েজুর রহমান, তাজুল ইসলাম ও স¤্রাট বলেন, এতদিন গরমের কারণে আমরা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারতাম না এখন থেকে স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা করতে পারবো। শিশু সদনের তত্বাবধায়ক ও আরবীর প্রভাষক গোলাম সরওয়ার জানান, ১৯৭৩ সালে এই মাদ্রাসায় এতিমখানা চালু হয় পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে মাদ্রাসার কার্য্যক্রম শুরু হয়। ওসি ইফতেখার হাসান ১০ টি ফ্যান দেয়ায় উনার প্রতি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কৃতজ্ঞ।

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইফতেখার হাসান বলেন, এতিম শিশু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কক্ষগুলোতে অতিষ্ঠ গরমে পর্যাপ্ত ফ্যান না থাকার বিষয়টি জানতে পেরে খুব কষ্ট পেয়েছি। এতিমদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে।’ সম্পাদনা : ওমর ফারুক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত