প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হতাশ করেছে বায়োপিক ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’

ফাতেমা ইসলাম : অনেক আলোচনা ও বিতর্ক তুলে নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনে জয়ের পর মুক্তি পেল ‘পিএম নরেন্দ মোদি’। কিন্তু দর্শক নাকি চ‚ড়ান্ত হতাশ হয়েছেন। দেশ রুপান্তর

আনন্দবাজার পত্রিকার রিভিউতে বলা হয়, বায়োপিক ও ব্যক্তি-প্রচারের মধ্যে পার্থক্য আছে। কারো জীবনী দেখাতে হলে তার স্খলন-পতনও তুলে ধরতে হয়। প্রোপাগান্ডা করতে নামলে অবশ্য সে দায় থাকে না। উমঙ্গ কুমার ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ ছবিটি আর যা-ই বানিয়ে থাকুন, সিনেমা বানাননি! অথচ আবেগ থেকে অ্যাকশন সবই আছে। কিন্তু নেহাতই একপেশে।

আরও বলা হয়েছে, ছবিটি নরেন্দ্র দামোদার দাস মোদির উত্থানের গল্প। অনামী কিশোর থেকে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সফর। চা-ওয়ালা থেকে প্রধানমন্ত্রিত্বে উত্তরণের কাহিনি। সামান্য হলেও দ্বিতীয়ার্ধে কিছু বিনোদন মিলবে। কিন্তু প্রথম আধঘণ্টায় আরোপিত আবেগ ছাড়া কিচ্ছু নেই।

সমালোচক লিখেছেন- নির্মাতারা শুরুতেই জানান, মোদির চরিত্র নির্মাণে কিছু নাটকীয়তার আশ্রয় তারা নিয়েছেন। দরকার ছিলো না। তার উত্থানের বাস্তব চিত্র কম নাটকীয় নয়। যুবক মোদিকে (বিবেক ওবেরয়) বরফের মধ্যে খালি পায়ে না হাঁটালেও চলত।

এ ছবিতে নাকি বিরোধীপক্ষকে হাস্যাস্পদ করা হয়েছে। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গোধরা কাণ্ড সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছিলেন মোদি। ছবিতে তা দেখানো হলেও মোদির সমর্থনেই দেখানো হয়েছে। আর পুরো ছবিতে সবচেয়ে জোর দেওয়া হয়েছে মোদির ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে। টাটা গোষ্ঠীর বিনিয়োগ, গুজরাটের উন্নয়ন এবং মোদির দিল্লি আগমন-সহ নানা অধ্যায় দেখানো হয়েছে। কিন্তু এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে যশোদাবেনের সঙ্গে মোদির বিয়ে। এই চরিত্রে বরখা বিশ্তকে এক ঝলক দেখানো হলেও তাকে যশোদাবেন হিসেবে বোঝার উপায় নেই!

তবে বিবেক ওবেরয়ের চেহারা ও বাচনভঙ্গি নাকি নরেন্দ্র মোদির চরিত্রে বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ