শিরোনাম
◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জন করবে কিনা, পাকিস্তান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী সপ্তাহে

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০১৯, ০৯:০৮ সকাল
আপডেট : ২৩ মে, ২০১৯, ০৯:০৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড়, বিজেপির বিপুল উত্থান, বিজয়ীদের অভিনন্দন মমতার

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ভারতের লোকসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগিয়ে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। তাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য বলা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের অভূতপূর্ব জয়ের সম্ভাবনাকে। এই রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও দলটির বিপুল উত্থান ঘটেছে। তৃণমূলের দূর্গ বলে পরিচিত রাজ্যটিতে এতোটা ভালো ফল করার কথা আগে কখনও ভাবেনি গেরুয়ারা।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে মাত্র ২টি আসন পেয়েছিলো বিজেপি। তৃণমূলের আসন ছিলো ৩৪টি। কংগ্রেস পেয়েছিলো ৪টি। আর এককালের ক্ষমতাশালী বামেরা পেয়েছিলো মাত্র ২টি আসন। তবে, ভোট গননায় সবাইকে চমকে দিয়েছে বিজেপি। ৪২ আসনের এই রাজ্যে এবার তুণমূল ১২ আসন হারিয়ে এগিয়ে আছে ২২ আসনে। নতুন করে ১৭ আসনে এগিয়ে থেকে তৃণমূলকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে বিজেপি। দলটির এগিয়ে থাকা আসন এবার ১৯। ৩টি আসন হারিয়ে কংগ্রেস এবার এগিয়ে মাত্র ১টি আস।আর বামজোট একটিও আসন পাবে না বলেই মনে হচ্ছে। অথচ রাজ্যটি একসময় লালদূর্গ বলে পরিচিত ছিলো।

এখনও পর্যন্ত যা ভোটপ্রাপ্তির হার, তাতে বিজেপির ভোট ৩৯ শতাংশের আশেপাশে। তৃণম‚লের ভোটপ্রাপ্তির হার অবশ্য বেশি, ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি। শাসক দলের ভোটপ্রাপ্তির এই হার বেশ কিছুটা মিলছে ২০০৯ সালের নির্বাচনের সঙ্গে। সে নির্বাচনে বামেদের বিপর্যস্ত করে তৃণম‚ল ইঙ্গিত দিয়েছিল, বাংলার পরিবর্তন আসন্ন। তৃণম‚লের ভোটপ্রপ্তির হার ছিল ৩১.১৮ শতাংশ। তবে সে বার রাজ্যের ২৮টি আসনে লড়েছিলো তারা। বাকি ১৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল তৃণম‚লের তৎকালীন জোটসঙ্গী কংগ্রেস এবং কংগ্রেস সে বার পেয়েছিল ১৩.৪৫ শতাংশ ভোট। আর তখনকার শাসক দল বামফ্রন্টের প্রাপ্ত ভোটের হার সে বার ছিল ৪৩.৩০ শতাংশ। অর্থাৎ এ বার তৃণম‚ল যে রকম ভোট পেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে, তার কাছাকাছি।

এদিকে ভোট গননার সময় এই বিষয়ে টুইটারে পোস্ট করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এই পোস্টে ছিলো সমাসন্ন হারে বিষাদের ছায়া। তৃণমূল নেত্রী লিখেছেন, ‘বিজয়ীদের অভিনন্দন। পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়। বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করা দরকার। তারপর নিজেদের মতামত জানাবো। আগে গণনা প্রক্রিয়া শেষ হোক। মিলিয়ে দেখা হোক ভিভিপ্যাটগুলো।’ অর্থাৎ রাজ্যে নিজেদের হার একরকম স্বীকার করেই নিলেন দাপুটে এই রাজনীতিবীদ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়