প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ একমাত্র ঘনিষ্ঠতম বন্ধু বলেই রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের উদ্যোগ চাই, বললেন আলী রীয়াজ

মুসবা তিন্নি : ড. আলী রীয়াজ বলেন , নরেন্দ্র মোদির সরকার যেভাবে অসহিষ্ণুভাবে সংখ্যালঘুদের কথা বলার পথ বন্ধ করে দিয়ে শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে, তা কোনো আদর্শ সমাজের চিত্র হতে পারে না। সংখ্যার বিবেচনায় ভারতকে সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ বলা হয়। যদিও দেশটির সমাজ, রাজনীতির মধ্যে অগণতান্ত্রিক আচরণ বিশেষভাবে লক্ষণীয়। জাগো নিউজ

এ নির্বাচনে যদি নরেন্দ্র মোদির সরকার ফের ক্ষমতায় আসে, তাহলে সেটি ভারতের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। এ শঙ্কা শুধু ভারতের মধ্যে নয় , ভারতের প্রতিবেশী অন্য দেশগুলোর জন্যও। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত কতটুকু হস্তক্ষেপ করেছে, তা আমরা জানি না। তবে এ ইস্যুতে চীনের নীতিই বাংলাদেশ ধারণ করেছে বলে স্পষ্ট। ভারতে নরেন্দ্র মোদির সময়ে যে উল্টো যাত্রা শুরু হয়েছে তা শুধু দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয় নয় । ভারত যদি এমন উগ্রশক্তি সঞ্চয় করতে থাকে তবে তার প্রভাব বাংলাদেশ , শ্রীলঙ্কা , পাকিস্তান বা পাশের দেশগুলোতে পড়বে। ভারত যদি রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক বিবেচনায় সহিষ্ণুতাকে প্রধান মনে করতো, তাহলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে এমন স্পষ্ট করে মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিতো না। ভারতে যদি অস্থিরতা তৈরি হয় এবং তার উত্তাপ যদি বাংলাদেশকে বহন করতে হয় তাহলে তার যে অর্থনৈতিক , সামাজিক , রাজনৈতিক চাপ বাড়বে যা বাংলাদেশের বাণিজ্যিক স্বার্থের জন্যও অনুকূল নয়। ভারতের রাজনৈতিক স্বার্থ বোঝা উচিত , দক্ষিণ এশিয়ায় রাষ্ট্রীয়পর্যায়ে বাংলাদেশ হচ্ছে ভারতের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দক্ষিণ এশিয়ায় তার আর কোনো বন্ধু আছে কিনা তা নিয়েও আমার মনে সংশয় আছে। সুতরাং বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভারত যদি বিশেষ আবেদন তৈরি করতে চায় তাহলে রোহিঙ্গা ইস্যু হচ্ছে বড় সুযোগ। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত