প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

যে সময়ে চাল আমদানির শুল্ক দ্বিগুণের সিন্ধান্ত হয়েছে, তা কৃষকের উপকার হওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়, বললেন নাজনীন আহমেদ

কেএম নাহিদ: বাজারে ধানের দাম না পাওয়া নিয়ে কৃষকদের ব্যাপক অভিযোগের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চালের আমদানি শুল্ক দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক প্রজ্ঞাপণে শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, চাল আমদানিতে এখন ৫৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ফলে আমদানি করা চালের দাম বাড়বে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। চাল আমদানির এসিন্ধান্ত কী লাভবান হবেন কৃষক। বৃহস্পতিবার বিবিসি’র সঙ্গে সাক্ষাতকারে এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করেছেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএস এর গবেষক ড. নাজনীন আহমেদ ।

তিনি বলেন, এই মূহুর্তে কৃৃষকেরা মহাসংকটে পরেছে। তারা ইতমধ্যে কম দামে ধান বেঁচতে বাধ্য হচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকের পক্ষে ধান বেশি রাখা সম্ভব না । কারণ কৃষক তার ধারদেনা মাঠেই পরিশোধ করে। কারণ ফলন হওয়ার পরই তাকে কমদামে ধান বিক্রি করতে হয়। এবং সেটা চলমান আছে। যে সময়টাতে আরো শুল্ক পকরা হয়েছে, এই শুল্ক কার্যকর হয়ে আমদানি কমে চালের যোগানের ওপর প্রভাব পড়তে একটা লম্বা সময় লাগবে। তাতে এবার আর কৃষকের উপকার হবে না। কারণ চালের মজুদ কমলে চালের বাজারে প্রভাব পড়বে। আগে আমদানি হওয়া চাল এখন অনেক মজুদ আছে যা সহসা কমার কথা না। আর তাই কৃষকরা কম দামেই তাদের ধান বিক্রি করেছে, এখনও করছে।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্র মাঝারি কৃষককে সাহায্য করার একমাত্র উপায় সরকারিভাবে ধান প্রক্রিয়াজাত করা। সেখানে ক্ষুদ্র কৃষককে একটা বাড়তি সুযোগ দিতে হবে। সেটা যেভাবে হোক ডিলারে মাধ্যমে ও হতে পারে। এই মূহুর্তে চাল আমদানি করা দরকার নেই, যা মজুদ আছে তা দিয়ে চলবে । তবে আমাদের দেশ যেমন দুযোগপ্রবণ এলাকা, সে কোনো সময় আমরা দুর্যোগের মধ্যে আমরা পরতে পারি। তাই মনিটরিং এর ওপর জোর দিতে হবে। খাদ্য মজুদ ঠিক মতো আছে কী না, সে ক্ষেত্রে কতোটা খাদ্য মজুদ রাখতে হবে সেই হিসাব কিন্তু রাষ্ট্রের কাছে আছে । শুধু সেটা প্রতিদিন মনিটরিং করতে হবে। সম্পাদনায়: কাজী নুসরাত ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত