প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

যাত্রীবাহি লঞ্চের ক্ষতির আশংকা
ঈদে ২৪ লঞ্চের জন্য বরিশাল নদীবন্দরে রয়েছে মাত্র তিনটি পল্টুন

খোকন আহম্মেদ হীরা, বরিশাল থেকে : ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বিশালবহুল যাত্রীবাহী নৌযান। প্রতিবছর ঈদ-উল ফিতর ও ঈদ-উল আযহার আগে এ রুটে যুক্ত হচ্ছে কোন না কোন বিলাশবহুল লঞ্চ। আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের পূর্বেও এ রুটে যুক্ত হয়েছে এমভি মানামী নামের সু-বিলাশ লঞ্চ। বর্তমানে বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে সরাসরি চলাচলকারী লঞ্চের সংখ্যা ২৪টি।

তবে বছর বছর টাইটানিক আকৃতির লঞ্চ যুক্ত হলেও বরিশাল নদী বন্দরে বাড়েনি পল্টুনের সংখ্যা। ছয়টি পল্টুনেই ভরসা খুঁজে নিতে হচ্ছে লঞ্চগুলোকে। এরমধ্যে আবার তিনটি পল্টুন অভ্যন্তরীণ রুটের এক তলা লঞ্চের জন্য নির্ধারিত। ফলে ঈদ মৌসুমে তিনটি পল্টুনে জায়গা না পেয়ে অধিকাংশ লঞ্চ মাঝ নদীতে নোঙ্গর করে যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে। এতে করে ছোট-বড় দুর্ঘটনার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে যাত্রীবাহি লঞ্চগুলো। তাই আসন্ন ঈদেও বরিশাল নদী বন্দরে লঞ্চে যাত্রী ওঠা-নামা করানো নিয়ে চিন্তিত রয়েছেন বন্দর ও লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।

বরিশাল-ঢাকা নৌ রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মাস্টাররা বলেন, বরিশাল নদী বন্দরে দুরপাল্লার রুটের লঞ্চের যাত্রী ওঠা-নামার জন্য তিনটি পল্টুন নির্ধারণ রয়েছে। যেখানে সর্বোচ্চ হলে এক সাথে আটটি লঞ্চ নোঙ্গর করা যায়। যে কারণে স্বাভাবিক দিনে কোন ঝামেলা হয়না। কারণ ওই সময় রোটেশনের কারণে প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ থেকে ছয়টি করে লঞ্চ চলাচল করে। তবে প্রতিবার ঈদ মৌসুমে তাদের চরম ঝামেলায় পরতে হচ্ছে।

বরিশাল বিআইডব্লিউটি’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মো. কবির হোসেন বলেন, বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে যে লঞ্চগুলো চলাচল করছে তার প্রতিটির প্রস্থ সর্বোচ্চ ৪৪ থেকে সর্বনিন্ম ৩৮ ফুট পর্যন্ত। বন্দরে যে ছয়টি পল্টুন রয়েছে তার এক একটি ১০০ ফুট করে। সে হিসেবে ৬০০ ফুটের মধ্যে ৩০০ ফুট পল্টুন বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের লঞ্চের জন্য বরাদ্দ। ৩০০ ফুটের তিনটি পল্টুনে সর্বোচ্চ ১০টি লঞ্চ আমরা নোঙ্গর করাই। ঈদ মৌসুমে পল্টুনে জায়গা দিতে না পারায় বেশি ট্রিপের আশায় তড়িঘড়ি করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ একটি লঞ্চের পেছনে আরেকটি লঞ্চ থামিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করাচ্ছেন। তাছাড়া দিবা সার্ভিসের গ্রীনলাইন ওয়াটার ওয়েজ নদী বন্দরের জেটিতে নোঙ্গর করতে পারছে না। এ দুটিকে নোঙ্গর করাতে হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসি’র জেটিতে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত