প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রমজানে স্মার্টফোন ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

আমিন মুনশি : ইবাদতের ভরা মওসুম মাহে রমজান। এই মাসের প্রতিটি মুহুর্তই মহামূল্যবান। আর তাই এ মাসে বিশেষভাবে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে। যেন কোনোভাবেই স্মার্টফোন আমাদের সময়গুলি নষ্ট করে দিতে না পারে। স্মার্টফোন মানুষের দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে দিয়েছে সত্য কিন্তু এর অপকারিতাও নেহাত কম নয়। আমাদের সমাজে এর সঠিক ব্যবহারের চেয়ে অপব্যবহার বেশি দেখা যায়। অনেকেই বিশেষতঃ তরুণসমাজ স্মার্টফোনের পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় অপচয় করে। যা তাদের কাজকর্ম, ঘুম, ইবাদত সবকিছুতেই বিরূপ প্রভাব ফেলে।

স্মার্টফোনে হারাম কিছু না দেখলেও এর দ্বারা প্রচুর সময় অপচয় হয়। অল্প কিছুক্ষণের জন্য হাতে নিলেও দেখা যায়, নিজের অজান্তেই অনেক সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অথচ কিয়ামতে মানুষকে প্রতিটি মুহূর্তের হিসাব দিতে হবে। আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ (রা.) রাসুল (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, কিয়ামতের দিন আদম সন্তানকে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও স্ব-স্থান থেকে নড়তে দেওয়া হবে না :
১. তার জীবনকাল কিভাবে অতিবাহিত করেছে?
২. যৌবনের সময়টা কিভাবে ব্যয় করেছে?
৩. ধন-সম্পদ কিভাবে উপার্জন করেছে?
৪. এবং কিভাবে তা ব্যয় করেছে?
৫. দ্বীনের যতোটুকু জ্ঞান সে অর্জন করেছে সেই অনুযায়ী আমল করেছে কি-না? (তিরমিজি : ২৪১৬)

যদি রমজান মাসে স্মার্টফোনে রাতভর হারাম ভিডিও দেখা হয়, তাহলে তার পরিণাম হবে খুব ভয়াবহ। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, চোখের জিনা হলো হারাম দৃষ্টিপাত। কানের জিনা হলো ‘গায়রে মাহরামের যৌন উদ্দীপক’ কথাবার্তা মনোযোগ দিয়ে শোনা। জিহ্বার জিনা হলো, ‘গায়রে মাহরামের সঙ্গে সুড়সুড়িমূলক’ কথোপকথন। হাতের জিনা হলো, ‘গায়রে মাহরামকে’ ধরা বা স্পর্শকরণ। পায়ের জিনা হলো, ‘খারাপ উদ্দেশ্যে’ চলা। অন্তর চায় ও কামনা করে আর লজ্জাস্থান তাকে বাস্তবে রূপ দেয় ‘যদি জিনা করে’ এবং মিথ্যা পরিণত করে ‘যদি অন্তরের চাওয়া অনুপাতে জিনা না করে’। (মুসলিম, হাদিস : ২৬৫৭)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত