প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আকার বাড়লেও ৮ বছরে কমছে বাজেট বাস্তবায়নের হার

ফাতেমা ইসলাম : আকারে বাড়লেও গত ৮ অর্থবছর ধরে কমছে বাজেট বাস্তবায়নের হার। তার বিরুপ প্রভাব পড়েছে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিনিয়োগে। বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না করতে পারায় মাথাপিছু আয় বাড়লেও, কমেনি বৈষম্য। তাই বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। ডিবিসি

চলতি অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছিলেন বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রথম ছয়মাসে তার বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র সাড়ে ২৭ শতাংশ।

২০১০-১১অর্থবছরে বাজেট ছিলো ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭০ কোটি টাকার। ৮ বছরের মাথায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকায়। অর্থাৎ আকার বেড়েছে ২০২ শতাংশ বা ৩ গুণ। বিপরীতে ৯৭ শতাংশ বাস্তবায়নের হার ৮ বছরে নেমে এসেছে ৭১ শতাংশে।

অর্থনীতিবিদ তৌফিকুল ইসলাম খান জানান, আমরা খুবই নিশ্চিন্তে থাকি যে আমরা একটি বড় বাজেট দিচ্ছি। কিন্তু সেই বাজেট কখনও বাস্তবায়ন হয় কিনা সেটা দেখা হয় না। এখন এর ক্ষতিকর প্রভাবগুলো কি হতে পারে? যেমন ট্যাক্স সংগ্রহ ঠিকমত বাড়ছে না।

তিনি জানান, ট্যাক্স সংগ্রহ যদি একই হারে না বাড়ে, তাহলে পরিশেষে একটি মধ্যম আয়ের দেশে গেলে যেসব রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাওয়ার কথা, সেই রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। আমরা শিক্ষায় যথেষ্ঠ বিনিয়োগ করতে পারছি না, স্বাস্থ্যে যথেষ্ঠ বিনিয়োগ করতে পারছি না। এই অবস্থাটা যখন চলতে থাকবে, তখন সার্বিকভাবে দেশের ভেতরে বৈষম্যটা বাড়ে।

২১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা কমে, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট নেমে আসতে পারে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকায়। যা বাস্তবায়নে আশাবাদী সরকার।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, আশা করি এবার বাড়বে। কারণ এবার আইএবিডি মাঠে নেমেছে। আইএবিডি’র সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক উভয় দিক থেকে বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

আগামী ১৩ই জুন সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। এটা হবে তার প্রথম বাজেট। সম্পাদনায় : জামাল উদ্দিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত